২৫/১. অধ্যায়ঃ

বিচারকের পদ চাওয়া সম্পর্কে

মানুষের বিচারক হওয়া কত বড় পরীক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৫৭২

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَخْنَسِيِّ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، وَالأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ جُعِلَ قَاضِيًا بَيْنَ النَّاسِ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তিকে জনগণের বিচারক নিযুক্ত করা হলো, তাকে যেন বিনা ছুরিতে যবেহ করা হলো।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৭২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, যাকে মানুষের মাঝে বিচারক বানানো হলো, তাকে যেন বিনা ছুরিতে যবেহ করা হলো। আগের বর্ণনার মতো এখানেও বিচারকের পদকে গভীর সতর্কতার সঙ্গে দেখানো হয়েছে। বিচারক মানুষের কথা শুনে ফয়সালা দেন। সেখানে সত্য জানা, প্রমাণ দেখা, অন্যায় থেকে বাঁচা এবং নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এই হাদিস বিচারকের সম্মানের কথা নয়; বরং দায়িত্বের ভারের কথা বলে। কেউ বিচারক হলে তার ফয়সালা মানুষের জীবন, সম্পদ ও হকের সঙ্গে জড়িত হতে পারে। তাই বিচার পদ, নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহির বিষয়গুলো এ হাদিসে খুব স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মানুষের বিচার করা বড় পরীক্ষা।
  • বিচারকের পদে দায়িত্বের ভয় থাকা উচিত।
  • ফয়সালায় সত্য ও ন্যায়ের দিকে সতর্ক থাকা দরকার।
  • বিচারকের পদকে শুধু সম্মান হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন