২৪/৫. অধ্যায়ঃ
গণকের ভেট
কুকুরের মূল্য ও গণকের ভেট নিষেধ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৪২৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৪২৮
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَمَهْرِ الْبَغِيِّ وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ .
আবূ মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কুকুরের বিক্রয়মূল্য, যেনাকারিনীর আয় ও গণকের ভেট গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহ : ইবনু মাজাহ (২১৫৯)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) তিনটি বিষয় নিষেধ করেছেন: কুকুরের বিক্রয়মূল্য, যেনাকারিনীর আয় এবং গণকের ভেট। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো হারাম বা নিকৃষ্ট উৎস থেকে সম্পদ গ্রহণ থেকে বেঁচে থাকা। এখানে লেনদেনের বাইরের দিক নয়, আয়ের উৎসের নৈতিক অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কুকুর বিক্রয়মূল্য, অবৈধ সম্পর্ক থেকে আয় এবং গণকের পারিশ্রমিক—এসব বিষয়ে সরাসরি নিষেধ এসেছে। তাই হালাল উপার্জন বিষয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি শেখায়, মুসলিমের আয় যেন পরিষ্কার ও সন্দেহমুক্ত পথে আসে, শুধু লাভের উদ্দেশ্যে নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুরের বিক্রয়মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- যেনাকারিনীর আয় থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে।
- গণকের ভেট গ্রহণও নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে এসেছে।
- আয়ের উৎসের পবিত্রতা লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ।
