২৪/৪. অধ্যায়ঃ
দাসীর উপার্জন
দাসীর উপার্জন গ্রহণের নিষেধ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৪২৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৪২৫
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كَسْبِ الإِمَاءِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাসীর উপার্জন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহঃ আহাদীসুল বুয়ূ‘।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দাসীর উপার্জন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসটির মূল বিষয় হলো আয়ের উৎস সম্পর্কে সতর্ক থাকা। এখানে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তবে পরের বর্ণনাগুলোতে দেখা যায়, দাসীর আয়ের উৎস জানা না থাকলে তা গ্রহণে নিষেধ এসেছে এবং নিজ হাতে কাজের আয় আলাদা করে উল্লেখ হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কোনো আয় গ্রহণের আগে তা কোথা থেকে এসেছে—এ প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। হালাল উপার্জন, সন্দেহজনক আয় এবং দাসীর উপার্জন বিষয়ে এটি একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর সতর্কবার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাসীর উপার্জন গ্রহণের বিষয়ে সরাসরি নিষেধ এসেছে।
- আয়ের উৎস সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক শিক্ষা দেয়।
- সন্দেহজনক আয়ের ব্যাপারে অবহেলা করা ঠিক নয়।
