২২/৩১. অধ্যায়ঃ
কোন কিছুর নাম উল্লেখ না করে মানত করা
মানতের কাফফারার একই অর্থের বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৩২৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৩২৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْحَكَمِ، حَدَّثَهُمْ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي كَعْبُ بْنُ عَلْقَمَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ شِمَاسَةَ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে নাবী (ﷺ) সূত্র হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৩২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, পূর্বের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ এখানে মানতের কাফফারা সম্পর্কিত একই শিক্ষা পাওয়া যায়। সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলেও এর গুরুত্ব আছে, কারণ একই অর্থ অন্য সূত্রে আসা হলে বিষয়টি পাঠকের কাছে আরও স্পষ্ট হয়। মানত এমন একটি বিষয়, যা মানুষ কখনও আবেগে, কখনও প্রয়োজনের সময় করে থাকে। কিন্তু হাদিসের ভাষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানতের কাফফারা এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। তাই মানতকে হালকা করে দেখা উচিত নয়। কেউ যদি মানত করে, তার উচিত মানতের ধরন বুঝে নেওয়া এবং সামর্থ্য থাকলে বৈধ মানত পূরণ করা। আর কাফফারার প্রয়োজন হলে তা গুরুত্ব দিয়ে আদায় করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনা মূল শিক্ষাকে শক্তভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
- মানতের কাফফারা বিষয়টি শপথের কাফফারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- মানত করার আগে ভেবে কথা বলা দরকার।
- বৈধ ও সামর্থ্যপূর্ণ মানত পূরণে অবহেলা করা উচিত নয়।
