২২/১১. অধ্যায়ঃ

নবী (ﷺ)-এর কসমের ধরন

ইনশাআল্লাহসহ শপথ করলে করণীয়

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩২৬২

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، وَمُسَدَّدٌ، - وَهَذَا حَدِيثُهُ - قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ مَنْ حَلَفَ فَاسْتَثْنَى فَإِنْ شَاءَ رَجَعَ، وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ غَيْرَ حِنْثٍ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রা:) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেউ শপথ করে ‘ইনশাআল্লাহ’ বললে সে ইচ্ছা করলে শপথ পূর্ণও করতে পারে আবার নাও করতে পারে, এতে কোন দোষের কিছু নেই।

সহীহঃ এর পূর্বেরটি দেখুন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৬২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেউ শপথ করে “ইনশাআল্লাহ” বললে সে চাইলে শপথ পূর্ণ করতে পারে, আবার চাইলে তা না-ও করতে পারে; এতে দোষ নেই। এখানে শপথে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। শপথ সাধারণত দায়িত্ব তৈরি করে, কিন্তু “ইনশাআল্লাহ” বলার মাধ্যমে মানুষ নিজের কাজকে আল্লাহর ইচ্ছার সাথে যুক্ত করে। এতে বোঝা যায়, মুসলিমের কথা দৃঢ় হলেও তার অন্তরে আল্লাহর উপর নির্ভরতা থাকা দরকার। হাদিসটি শপথের ভাষা, কসমের আদব এবং ইনশাআল্লাহ বলার প্রভাব—এই তিনটি বিষয় সহজভাবে শেখায়। তবে এটি কোনো খেলাচ্ছলে শপথ করার অনুমতি নয়; বরং কথায় আল্লাহর ইচ্ছাকে মানার শিক্ষা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শপথের সঙ্গে “ইনশাআল্লাহ” বললে শপথে একটি শর্ত যুক্ত হয়।
  • কোনো কাজের বিষয়ে কথা বলার সময় আল্লাহর ইচ্ছাকে স্মরণ করা উচিত।
  • শপথ করা হালকা বিষয় নয়; তাই ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন