২১/৮. অধ্যায়ঃ
বারবার রোগী দেখা
রোগী দেখার নববী আদব ও যত্ন
সুনানে আবূ দাউদ : ৩১০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩১০১
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا أُصِيبَ سَعْدُ بْنُ مُعَاذٍ يَوْمَ الْخَنْدَقِ رَمَاهُ رَجُلٌ فِي الأَكْحَلِ فَضَرَبَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْمَةً فِي الْمَسْجِدِ فَيَعُودُهُ مِنْ قَرِيبٍ .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
খন্দকের যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তির নিক্ষিপ্ত তীরে সাদ ইবনু মুয়াজ (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার জন্য মসজিদের ভেতর একটি তাঁবু টানালেন। যেন তিনি কাছ থেকে তাকে দেখতে পারেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খন্দকের যুদ্ধের একটি দৃশ্য এসেছে। সা’দ ইবনু মুয়াজ (রাঃ) তীরের আঘাতে আহত হলে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তার জন্য মসজিদের ভেতর তাঁবু স্থাপন করালেন। উদ্দেশ্য ছিল, তিনি যেন কাছ থেকে তাকে দেখতে পারেন এবং তার অবস্থা জানতে পারেন। এখানে রোগী দেখা শুধু আনুষ্ঠানিক কাজ নয়; বরং ভালোবাসা, খোঁজখবর, কাছাকাছি থাকা এবং কষ্টের সময় পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা আছে। হাদিসটির মূল কথা হলো, অসুস্থ বা আহত মানুষকে একা ফেলে রাখা উচিত নয়। তার খবর নেওয়া, দেখাশোনা করা এবং তার কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া মুমিনের সুন্দর আচরণের অংশ। রোগী দেখা, অসুস্থের সেবা এবং সাহাবীদের প্রতি নবীজির মমতা—এসব বিষয় এই বর্ণনায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী বা আহত ব্যক্তির খোঁজ নেওয়া নববী আদবের অংশ।
- কষ্টে থাকা মানুষের পাশে কাছ থেকে থাকা ভালোবাসার প্রকাশ।
- মসজিদেও প্রয়োজন হলে আহতের দেখাশোনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- নেতা ও আপনজনের উচিত অসুস্থ মানুষের অবস্থা সরাসরি জানা।
