২১/৭. অধ্যায়ঃ
ওযু করে রোগী দেখতে যাওয়ার ফজিলত
রোগী দেখার ফজিলত: ফেরেশতাদের ক্ষমা প্রার্থনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩০৯৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩০৯৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ مَا مِنْ رَجُلٍ يَعُودُ مَرِيضًا مُمْسِيًا إِلاَّ خَرَجَ مَعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ يَسْتَغْفِرُونَ لَهُ حَتَّى يُصْبِحَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ وَمَنْ أَتَاهُ مُصْبِحًا خَرَجَ مَعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ يَسْتَغْفِرُونَ لَهُ حَتَّى يُمْسِيَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কেউ বিকাল বেলা কোনো রোগীকে দেখতে গেলে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার সাথে রওয়ানা হয় এবং তারা তার জন্য ভোর হওয়া পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকে। উপরন্তু তার জন্য জান্নাতে একটি বাগান তৈরি করা হয়। আর কোনো ব্যক্তি দিনের প্রথমভাগে রোগী দেখতে গেলে তার সাথেও সত্তর হাজার ফেরেশতা রওয়ানা হয় এবং তারা সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। তাকেও জান্নাতে একটি বাগান দেওয়া হয়।
সহীহ মাওকুফ : সহীহাহ (১৩৬৭)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রোগী দেখতে যাওয়ার বড় ফজিলত বলা হয়েছে। কেউ বিকাল বেলা রোগী দেখতে গেলে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার সঙ্গে রওয়ানা হয় এবং ভোর পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা চাইতে থাকে। তার জন্য জান্নাতে একটি বাগান তৈরি করা হয়। আবার কেউ দিনের প্রথম ভাগে রোগী দেখতে গেলে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার সঙ্গে রওয়ানা হয় এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা চাইতে থাকে; তার জন্যও জান্নাতে একটি বাগান দেওয়া হয়। হাদিসে সকাল ও বিকাল—দুই সময়ের কথা এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, রোগী দেখা শুধু মানবিক কাজ নয়, এটি আল্লাহর কাছে সওয়াবের কাজ। অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো মুমিনের ভালো চরিত্রের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী দেখতে যাওয়া বড় ফজিলতের আমল।
- সকাল ও বিকাল—দুই সময়েই রোগী দেখার ফজিলত এসেছে।
- ফেরেশতারা রোগী দেখতে যাওয়া ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে।
- অসুস্থ মানুষের পাশে যাওয়া মুমিনের দয়া ও সম্পর্ক রক্ষার পরিচয়।
