২০/৩৮. অধ্যায়ঃ
খাজনা ধার্যকৃত (খারাজী) জমি কেনা
জিজিয়া জমি ক্রয়: সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩০৮১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩০৮১
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَكَّارِ بْنِ بِلاَلٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، يَعْنِي ابْنَ سُمَيْعٍ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ، حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مُعَاذٍ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ عَقَدَ الْجِزْيَةَ فِي عُنُقِهِ فَقَدْ بَرِئَ مِمَّا عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ .
মু‘আয (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি জিজইয়ার জমি ক্রয় করেছে, সে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনুসৃত পথ থেকে দূরে সরে গেল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জিজিয়া জমি ক্রয়ের বিষয়ে একটি কঠিন সতর্কতা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি জিজইয়ার জমি ক্রয় করেছে, সে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর অনুসৃত পথ থেকে দূরে সরে গেল। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মুসলিম ব্যক্তি এমন কোনো চুক্তি বা মালিকানার অবস্থায় নিজেকে জড়াবে না, যা তার দ্বীনি মর্যাদা, দায়িত্ব বা ইসলামী পরিচয়ের সঙ্গে সংঘাত তৈরি করে। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হলেও বার্তাটি গভীর। জিজিয়া জমি, ইসলামী শাসন, জমির অধিকার এবং সুন্নাহ অনুসরণ—এসব বিষয় এখানে সরাসরি যুক্ত। তাই কোনো সম্পদ অর্জনের আগে শুধু লাভ নয়, শরিয়তের দিকটিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে দ্বীনি সীমা ও সুন্নাহর পথ খেয়াল রাখা জরুরি।
- জিজিয়া জমির মতো বিশেষ বিষয়ে অসতর্কতা গুরুতর দ্বীনি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
- মুসলিমের সিদ্ধান্ত শুধু দুনিয়ার লাভ দেখে নয়, আখিরাতের দায়ও দেখে হওয়া উচিত।
