১৯/৭. অধ্যায়ঃ
আসাবাহর মীরাস সম্পর্কে
মীরাস বণ্টনে আহলে ফরজ ও অবশিষ্ট অংশ
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৯৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৯৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، وَمَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، - وَهَذَا حَدِيثُ مَخْلَدٍ وَهُوَ الأَشْبَعُ - قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اقْسِمِ الْمَالَ بَيْنَ أَهْلِ الْفَرَائِضِ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ فَمَا تَرَكَتِ الْفَرَائِضُ فَلأَوْلَى ذَكَرٍ " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: (মৃতের) সম্পদ আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আহলে ফরজের মধ্যে বন্টন করা হবে। এদেরকে বন্টনের পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা মৃতের নিকটাত্মীয় পুরুষ ব্যক্তি পাবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মীরাস বণ্টনের একটি মূলনীতি বলেছেন। তিনি বলেন, সম্পদ আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আহলে ফরজের মধ্যে বণ্টন করা হবে। এরপর নির্ধারিত অংশ দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা মৃতের নিকটাত্মীয় পুরুষ ব্যক্তি পাবে। এখানে “আহলে ফরজ” বলতে সেই ওয়ারিসদের বোঝানো হয়েছে, যাদের অংশ নির্ধারিত। হাদিসটি মীরাসের হিসাবের ভিত্তি বুঝতে সাহায্য করে। প্রথমে নির্দিষ্ট অংশের অধিকারীদের অংশ দেওয়া হবে, তারপর অবশিষ্ট অংশের নিয়ম কার্যকর হবে। তাই সম্পদ বণ্টনে তাড়াহুড়া বা আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কুরআনের নির্ধারিত অংশকে আগে মানতে হবে। এই হাদিস ফারায়েজের জ্ঞান, ন্যায্য বণ্টন এবং অধিকার রক্ষার একটি বড় শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মীরাস বণ্টনে আগে নির্ধারিত অংশের ওয়ারিসদের অধিকার দিতে হয়।
- অবশিষ্ট অংশ নিকট পুরুষ আত্মীয়ের জন্য হতে পারে।
- আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সম্পদ বণ্টন করা জরুরি।
- ফারায়েজ না জানলে সম্পদ বণ্টনে ভুল হতে পারে।
