১৭/৪. অধ্যায়ঃ
শিকারের পিছু নেওয়া
শাসকের নৈকট্য: ফিতনা ও দূরত্বের সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৬০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৬০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْحَكَمِ النَّخَعِيُّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ شَيْخٍ، مِنَ الأَنْصَارِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى مُسَدَّدٍ قَالَ " وَمَنْ لَزِمَ السُّلْطَانَ افْتُتِنَ " . زَادَ " وَمَا ازْدَادَ عَبْدٌ مِنَ السُّلْطَانِ دُنُوًّا إِلاَّ ازْدَادَ مِنَ اللَّهِ بُعْدًا " .
আবূ হুরায়রা হতে নাবী (ﷺ) সূত্র হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত। রাজা-বাদশার সাথে নিরবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক স্থাপনকারী বিপদগ্রস্ত হয়। আর যে বান্দা রাজার সাথে অধিক ঘনিষ্ঠ হয় সে আল্লাহ থেকে ততই দূরে সরে যেতে থাকে।
দুর্বলঃ মিশকাত (৩৭০১)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বের বর্ণনার মতো শাসকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ে সতর্কতা এসেছে। বলা হয়েছে, যে শাসকের সঙ্গে লেগে থাকে, সে বিপদগ্রস্ত হয়। আরও বলা হয়েছে, কোনো বান্দা শাসকের যত নিকটবর্তী হয়, আল্লাহ থেকে তত দূরে সরে যেতে থাকে। এখানে উদ্দেশ্য হলো ক্ষমতার নৈকট্যের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা। “শাসকের নৈকট্য”, “রাজা বাদশার দরবার”, “ফিতনা সম্পর্কে হাদিস”, “আল্লাহ থেকে দূরে সরে যাওয়া”—এসব বিষয়ে এই হাদিস প্রাসঙ্গিক। তবে এটি সাধারণভাবে ক্ষমতার কাছে যাওয়া-আসার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করছে; ব্যাখ্যায় নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ঠিক নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দুনিয়াবি প্রভাবের কাছে গিয়ে দ্বীনি সতর্কতা হারিয়ে ফেলা বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শাসকের সঙ্গে অতিরিক্ত লেগে থাকা ফিতনার কারণ হতে পারে।
- ক্ষমতার নৈকট্য মানুষের দ্বীনি অবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
- আল্লাহর নৈকট্যকে দুনিয়াবি প্রভাবের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয়।
- সম্পর্ক ও চলাফেরায় নিজের ঈমানি নিরাপত্তা বিবেচনা করা উচিত।
