১৭/১. অধ্যায়ঃ

শিকার ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কুকুর প্রতিপালন করা

কুকুর পালন: কখন অনুমতি, কখন সতর্কতা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৪৪

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنِ اتَّخَذَ كَلْبًا إِلاَّ كَلْبَ مَاشِيَةٍ أَوْ صَيْدٍ أَوْ زَرْعٍ انْتَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطٌ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেন: যে ব্যক্তি পশুদের রক্ষণাবেক্ষণ, শিকার কিংবা কৃষিক্ষেতের পাহারার উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, তার সাওয়াব থেকে প্রত্যহ এক কিরাত করে বিয়োগ করা হবে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৪৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে কুকুর পালন বিষয়ে একটি স্পষ্ট সীমা বলা হয়েছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি পশু রক্ষণাবেক্ষণ, শিকার বা কৃষিক্ষেত পাহারার উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর পোষে, তার সাওয়াব থেকে প্রতিদিন এক কিরাত করে কমে যায়। তাই হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো—কুকুর রাখা সম্পূর্ণ ইচ্ছামতো বিষয় নয়; প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে এর সম্পর্ক আছে। “কুকুর পালন ইসলামে”, “কুকুর রাখার বিধান”, “শিকারি কুকুর” বা “ক্ষেত পাহারার কুকুর”—এসব বিষয়ে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এখানে অনুমতিপ্রাপ্ত তিনটি ক্ষেত্র এসেছে: গবাদি পশুর নিরাপত্তা, শিকার এবং ফসলের পাহারা। এর বাইরে কুকুর পালনের ব্যাপারে সাওয়াব কমার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • পশু পাহারা, শিকার ও ক্ষেত পাহারার জন্য কুকুর রাখার কথা হাদিসে আলাদা করা হয়েছে।
  • অপ্রয়োজনীয় কুকুর পালনের বিষয়ে সাওয়াব কমার সতর্কতা এসেছে।
  • কোনো আমল করার আগে তার উদ্দেশ্য ও প্রয়োজন বিবেচনা করা উচিত।
  • হাদিসটি কুকুর পালনের ক্ষেত্রে সীমা ও দায়িত্ববোধ শেখায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন