১/১১০. অধ্যায়ঃ
হায়িয শেষ হলে সালাত বর্জন করা যাবে না
হায়েজ শেষ হলে গোসল করে সালাত আদায়ের বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৩
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامٍ، بِإِسْنَادِ زُهَيْرٍ وَمَعْنَاهُ وَقَالَ " فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا فَاغْسِلِي الدَّمَ عَنْكِ وَصَلِّي " .
হিশাম (রহঃ) যুহাইর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
হিশাম (রহঃ) যুহাইর সূত্রে উপরোক্ত অর্থবোধক হাদিস বর্ণনা করেন। নবী (ﷺ) বলেছেন, ঋতুস্রাব আসলে সালাত ছেড়ে দিবে আর ঋতুস্রাবের সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নিয়ে (গোসল করে) সালাত আদায় করবে।
সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার একই অর্থ বহন করে। এখানে বলা হয়েছে, ঋতুস্রাব এলে সালাত ছেড়ে দিতে হবে। আর ঋতুস্রাবের সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিষয়টি খুব পরিষ্কার। ইস্তিহাযা অবস্থায় সালাতের বিধান বুঝতে হলে হায়েজের সময় আর পবিত্রতার সময় আলাদা করা জরুরি। হায়েজের দিনগুলোতে সালাত নেই, কিন্তু সেই সময় শেষ হলে শুধু রক্ত চলতে থাকলেই সালাত বন্ধ থাকবে না। তখন পরিষ্কার হয়ে, গোসল করে সালাত আদায় করতে হবে। এই হাদিসে মূল শিক্ষা হলো—ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজের অবস্থার সঠিক হিসাব রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঋতুস্রাব শুরু হলে সালাত ছেড়ে দিতে হবে।
- ঋতুস্রাবের সময়সীমা শেষ হলে গোসল করা হবে।
- হায়েজ শেষ হওয়ার পর সালাত আবার শুরু করতে হবে।
- রক্ত ধোয়ার বিষয়টি পবিত্রতার যত্নকে বুঝায়।
