১৫/১০৪. অধ্যায়ঃ
মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ চলবে
মুশরিকদের বিষয়ে ঈমানের মানদণ্ড
সুনানে আবূ দাউদ : ২৬৪২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৬৪২
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ الْمُشْرِكِينَ " . بِمَعْنَاهُ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি... বাকী অংশ উপরের হাদিসের অনুরূপ।
সহীহ। এর পূর্বেরটি দেখুন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি পূর্বের হাদিসের অর্থের অনুরূপ। এখানে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তিনি মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছেন—তারপর বাকিটা আগের হাদিসের মতো। তাই মূল শিক্ষা হলো, প্রকাশ্য ঈমানের পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া। কালেমা, কিবলা, মুসলিমদের সালাত এবং মুসলিম সমাজের নিয়ম গ্রহণ করলে একজনের জীবন ও সম্পদ নিরাপদ হয়। এই হাদিস বুঝতে হলে এটিকে আগের বর্ণনার আলোকে দেখা দরকার, কারণ এখানে পুরো বাক্য আবার বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কিছু যোগ না করে শুধু এতটুকুই বলা যায়—ইসলামে বাহ্যিক মুসলিম পরিচয়কে শরীয়তের দৃষ্টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে অধিকার ও দায়িত্ব যুক্ত থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও আগের পূর্ণ বর্ণনার অর্থ বহন করতে পারে।
- প্রকাশ্য ঈমানের পরিচয় শরীয়তে গুরুত্ব পায়।
- মুসলিম পরিচয়ের সঙ্গে অধিকার ও দায়িত্ব জড়িত।
- কালেমা, কিবলা ও সালাত মুসলিম পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।
