১৫/৩৩. অধ্যায়ঃ
পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া জিহাদে যোগদান প্রসঙ্গে
পিতা-মাতার সেবা: তোমার জন্য জিহাদ
সুনানে আবু দাউদ : ২৫২৯
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ২৫২৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ أُجَاهِدُ قَالَ : " أَلَكَ أَبَوَانِ " . قَالَ : نَعَمْ . قَالَ : " فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : أَبُو الْعَبَّاسِ هَذَا الشَّاعِرُ اسْمُهُ السَّائِبُ بْنُ فَرُّوخَ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জিহাদ করব। তিনি বললেন: তোমার পিতা-মাতা আছেন কি? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন: তাদের সেবা করো, এটাই তোমার জন্য জিহাদ হিসাবে গণ্য হবে।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ২৫২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এসে বলে, সে জিহাদ করতে চায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাকে জিজ্ঞেস করেন, তার পিতা-মাতা আছে কি না। সে হ্যাঁ বললে তিনি বলেন, তাদের মধ্যেই জিহাদ করো। অর্থাৎ এই ব্যক্তির জন্য পিতা-মাতার সেবা ছিল বড় দায়িত্ব। এখানে মূল বিষয় “পিতা-মাতার সেবা”। হাদিসটি দেখায়, সব নেক কাজের আগে নিজের দায়িত্ব বুঝতে হয়। “পিতা-মাতার সেবা জিহাদ”, “মা-বাবার খেদমত” এবং “জিহাদের আগে পিতা-মাতার হক” এই বর্ণনায় সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। তবে এটি নির্দিষ্ট ঘটনার উত্তর। তাই হাদিসের শিক্ষা হলো—পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের হক ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে, বিশেষ করে যখন তারা সন্তানের ওপর নির্ভরশীল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পিতা-মাতার সেবা বড় নেক কাজ।
- জিহাদের ইচ্ছা থাকলেও পিতা-মাতার হক আগে বিবেচনা করতে হয়।
- নিজের দায়িত্ব বুঝে আমল করা জরুরি।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم পিতা-মাতার সেবাকে এই ব্যক্তির জন্য জিহাদ বলেছেন।
