১৪/৭৫. অধ্যায়ঃ
স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর নফল সওম রাখা
স্বামীর উপস্থিতিতে স্ত্রীর নফল সাওমের বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ২৪৫৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৪৫৮
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَبَعْلُهَا شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ غَيْرَ رَمَضَانَ وَلاَ تَأْذَنُ فِي بَيْتِهِ وَهُوَ شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার সম্মতি ছাড়া স্ত্রী রমজান মাসের সাওম ব্যতীত নফল সাওম রাখবে না এবং তার উপস্থিতিতে তার সম্মতি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে তার ঘরে আসার অনুমতি দেবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দাম্পত্য জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব বলেছেন। তিনি বলেন, স্বামী উপস্থিত থাকলে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী রমজান মাসের সাওম ছাড়া নফল সাওম রাখবে না। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, স্বামী উপস্থিত থাকলে তার অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে তার ঘরে আসার অনুমতি দেবে না। হাদিসের মূল বিষয় হলো নফল সাওম, স্বামীর অনুমতি এবং ঘরের দায়িত্বের আদব। এখানে রমজানের ফরজ সাওমকে আলাদা করে বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় বলা যায়, ফরজ সাওমের বাইরে নফল সাওমের ক্ষেত্রে দাম্পত্য সম্পর্ক ও পারিবারিক অধিকার বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এই হাদিসকে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে কঠোর করা নয়; বরং হাদিসে যেমন আছে, তেমনভাবে সহজ ভাষায় বোঝানো দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের ফরজ সাওম এই নির্দেশের বাইরে রাখা হয়েছে।
- স্বামী উপস্থিত থাকলে নফল সাওমে অনুমতির কথা এসেছে।
- ঘরে কাউকে প্রবেশের অনুমতির বিষয়েও আদব বলা হয়েছে।
- দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক অধিকার বিবেচনা জরুরি।
