১৪/৬৯. অধ্যায়ঃ
প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন
আইয়ামে বীযের রোজা: ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ
সুনানে আবু দাউদ : ২৪৪৯
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ২৪৪৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَخِي مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ مِلْحَانَ الْقَيْسِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا أَنْ نَصُومَ الْبِيضَ ثَلاَثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَخَمْسَ عَشْرَةَ . قَالَ وَقَالَ " هُنَّ كَهَيْئَةِ الدَّهْرِ " .
ইবনু মিলহান আল-ক্বায়সী (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আইয়ামে বীয অর্থাৎ চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সাওম পালনে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ এগুলো সারা বছর সাওম রাখার সমতুল্য।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ২৪৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আইয়ামে বীযের সাওম সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাহাবীদের চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি صلى الله عليه وسلم বলেছেন, এগুলো সারা বছর সাওম রাখার মতো। হাদিসের মূল বিষয় হলো প্রতি চান্দ্র মাসের নির্দিষ্ট তিন দিনের নফল সাওম। আইয়ামে বীয, মাসে তিন দিন রোজা, ১৩ ১৪ ১৫ তারিখের সাওম—এসব বিষয়ে মানুষ যে হাদিস খোঁজে, এটি তার প্রধান দলিলগুলোর একটি। এখানে সাওমের তারিখ নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাই যারা মাসে তিন দিনের সাওম রাখতে চান, তারা এই হাদিস থেকে সময় সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পান।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সাওমের নির্দেশ এসেছে।
- এই তিন দিনের সাওমের বিশেষ মর্যাদা বর্ণনায় এসেছে।
- মাসে তিন দিন সাওম রাখার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি জানা যায়।
- নফল সাওম নিয়মিত আমলের সুন্দর একটি পথ।
