১৪/৬৫. অধ্যায়ঃ
আশুরার দিন সওম পালন
সুনানে আবু দাউদ : ২৪৪২
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ২৪৪২
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ صَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ كَانَ هُوَ الْفَرِيضَةَ وَتُرِكَ عَاشُورَاءُ فَمَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ .
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জাহিলিয়াতের যুগে কুরাইশরা আশুরার সাওম পালন করত। জাহিলিয়াতের যুগে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও এ দিন সাওম রাখতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদিনায় এসে এ দিন সাওম রেখেছেন এবং লোকদেরকেও সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর রমজানের সাওম ফরজ হলে সেটিই ফরজ হিসেবে বহাল হলো এবং আশুরার দিন সাওম রাখার আবশ্যকতা পরিত্যক্ত হলো। ফলে যার ইচ্ছা সাওম রাখত এবং যার ইচ্ছা ত্যাগ করত।
