১৪/৫৭. অধ্যায়ঃ

শাবান মাসের সওম

শাবান মাসের সাওমের গুরুত্ব

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৪৩১

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَيْسٍ، سَمِعَ عَائِشَةَ، تَقُولُ كَانَ أَحَبَّ الشُّهُورِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَصُومَهُ شَعْبَانُ ثُمَّ يَصِلُهُ بِرَمَضَانَ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট সকল মাসের মধ্যে শাবান মাসে অধিক সাওম রাখা অধিক পছন্দনীয় ছিল। তিনি এ মাসে সাওম অব্যাহত রেখে তা রমজানের সাথে যুক্ত করতেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৩১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা রা. জানাচ্ছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে যেসব মাসে সাওম রাখা পছন্দনীয় ছিল, তার মধ্যে শাবান মাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি শাবান মাসে সাওম রাখতেন এবং তা রমজানের সাথে যুক্ত করতেন। এখানে মূল কথা হলো, রমজানের আগে শাবানে নফল সাওমের একটি বিশেষ ধারা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলে দেখা যায়। তবে হাদিসে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা নির্দিষ্ট সংখ্যার কথা নেই; শুধু শাবানে সাওম রাখার পছন্দ ও রমজানের সঙ্গে সংযোগের কথা এসেছে। শাবান মাসের রোজা, রমজানের প্রস্তুতি এবং নফল সাওম—এই বিষয়গুলো এই হাদিসে সহজভাবে ফুটে উঠেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শাবান মাসে সাওম রাখা নবী صلى الله عليه وسلم-এর পছন্দনীয় আমলের মধ্যে ছিল।
  • শাবানের সাওম রমজানের সাথে যুক্ত হওয়ার কথা এসেছে।
  • নফল সাওমের ক্ষেত্রে শাবান মাসের আলাদা গুরুত্ব দেখা যায়।
  • হাদিসে নির্দিষ্ট সংখ্যা না থাকলে নির্দিষ্ট সংখ্যা দাবি করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন