১৪/৩২. অধ্যায়ঃ
সওম পালনকারী ইচ্ছাকৃত বমি করলে
বমি হলে রোজা ভাঙে কি: অনিচ্ছাকৃত ও স্বেচ্ছায় বমির বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৮০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৮০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ ذَرَعَهُ قَىْءٌ وَهُوَ صَائِمٌ فَلَيْسَ عَلَيْهِ قَضَاءٌ وَإِنِ اسْتَقَاءَ فَلْيَقْضِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ أَيْضًا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ هِشَامٍ مِثْلَهُ .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন সাওম পালনকারীর অনিচ্ছাকৃত বমি হলে তাকে তা কাজা করতে হবে না। তবে কেউ স্বেচ্ছায় বমি করলে তাকে অবশ্যই সাওম কাজা করতে হবে। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) হতে হিশাম (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজা অবস্থায় বমি। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো সাওম পালনকারীর অনিচ্ছাকৃত বমি হলে তাকে কাজা করতে হবে না। কিন্তু কেউ যদি স্বেচ্ছায় বমি করে, তাহলে তাকে সাওম কাজা করতে হবে। এখানে দুটি অবস্থার পার্থক্য খুব পরিষ্কার। অনেক সময় অসুস্থতা বা শরীরের কারণে বমি হয়ে যেতে পারে; হাদিসে এমন অনিচ্ছাকৃত বমির জন্য কাজা নেই বলা হয়েছে। কিন্তু নিজের ইচ্ছায় বমি করলে কাজার নির্দেশ এসেছে। তাই রোজার বিধান বুঝতে ইচ্ছা ও অনিচ্ছার পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনিচ্ছাকৃত বমি হলে এই হাদিস অনুযায়ী কাজা নেই।
- স্বেচ্ছায় বমি করলে সাওম কাজা করতে হবে।
- রোজার বিষয়ে ইচ্ছা ও অনিচ্ছার পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সাওমের বিধান সহজভাবে বুঝতে হাদিসের ভাষা খেয়াল করা দরকার।
