১৪/১৬. অধ্যায়ঃ
যারা সাহরীকে ভোরের নাস্তা আখ্যায়িত করেন
বরকতময় সাহরী: রমজানের সাওমের সুন্দর প্রস্তুতি
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৪৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৪৪
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَيَّاطُ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ سَيْفٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي رُهْمٍ، عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ، قَالَ دَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى السَّحُورِ فِي رَمَضَانَ فَقَالَ " هَلُمَّ إِلَى الْغَدَاءِ الْمُبَارَكِ " .
আল-‘ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে রমযানের সাহরীর সময় ডাকলেন এবং বললেন: বরকতময় সকালের খাবারের দিকে এসো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে রমজানের সাহরীর সময় ডাকলেন এবং বললেন, “বরকতময় সকালের খাবারের দিকে এসো।” এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় সাহরীর মর্যাদা সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহরীকে শুধু খাবার হিসেবে বলেননি; তিনি এটিকে বরকতময় খাবার বলেছেন। তাই রমজানের সাহরী সাওমের প্রস্তুতির অংশ এবং এতে কল্যাণের ইঙ্গিত আছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সাহরীকে অলসতা বা ঘুমের কারণে বাদ দেওয়া উচিত নয়। বরং রোজার নিয়তে, সহজ খাবার হলেও, সাহরীর প্রতি যত্নবান হওয়া ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরী রমজানের সাওমের একটি বরকতময় আমল।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহরীর দিকে ডাক দিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন।
- সাহরীকে সাধারণ খাবার ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়।
- রোজার আগে প্রস্তুতি নেওয়া সুন্নাহর শিক্ষার সঙ্গে মিল রাখে।
