১৪/১৫. অধ্যায়ঃ
সাহরী খাওয়ার গুরুত্ব
সাহরীর গুরুত্ব: মুসলিম সাওমের আলাদা পরিচয়
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৪৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৪৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُلَىِّ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ فَصْلَ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ " .
‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমাদের ও আহলে কিতাবের সাওমের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সেহরি খাওয়া।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আমাদের সাওম ও আহলে কিতাবের সাওমের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সাহরী খাওয়া। এখানে সাহরীর গুরুত্ব খুব সংক্ষেপে কিন্তু পরিষ্কারভাবে এসেছে। সাওম শুধু দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়; এর সঙ্গে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো নিয়মও জড়িত। সাহরী খাওয়া সেই নিয়মের একটি অংশ। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, সাহরী মুসলিমদের রোজার একটি আলাদা পরিচয় তৈরি করে। তাই রমজানের সাহরী, সাওমের প্রস্তুতি এবং মুসলিম উম্মাহর আলাদা আমল—এসব বিষয় এই বর্ণনায় একসঙ্গে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরী মুসলিম সাওমের বিশেষ পরিচয়ের অংশ।
- রোজার আগে সাহরী খাওয়াকে অবহেলা করা ঠিক নয়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সাওমের আমলে আলাদা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন।
- ইবাদতে সুন্নাহর অনুসরণ মুসলিম জীবনের সৌন্দর্য বাড়ায়।
