১৩/১৮. অধ্যায়ঃ
খোলার বর্ণনা
অহেতুক তালাক চাওয়ার ভয়াবহ সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ২২২৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২২৬
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا امْرَأَةٍ سَأَلَتْ زَوْجَهَا طَلاَقًا فِي غَيْرِ مَا بَأْسٍ فَحَرَامٌ عَلَيْهَا رَائِحَةُ الْجَنَّةِ " .
সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি কোনো মহিলা অহেতুক তার স্বামীর নিকট তালাক চায়, তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধও হারাম হয়ে যায়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এমন নারীর ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন, যে কোনো বাস্তব কষ্ট বা প্রয়োজন ছাড়া স্বামীর কাছে তালাক চায়। হাদিসের ভাষায়, ‘ফি গাইরি মা বা’স’—অর্থাৎ কোনো কষ্ট বা গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া। এখানে মূল শিক্ষা হলো, তালাক কোনো হালকা বিষয় নয়। দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হতে পারে, কিন্তু অযথা তালাক চাওয়া সম্পর্ককে ভেঙে দেয় এবং তা গুরুতর গুনাহের পথে নিয়ে যেতে পারে। হাদিসটি নারীদের প্রতি বিশেষভাবে বলা হলেও দাম্পত্য জীবন রক্ষায় উভয়ের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। তালাকের দাবি করার আগে কারণ, প্রয়োজন ও আল্লাহর ভয়—সবকিছু বিবেচনা করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অহেতুক তালাক চাওয়া গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- তালাকের মতো বড় সিদ্ধান্ত আবেগে নেওয়া ঠিক নয়।
- দাম্পত্য সমস্যায় আল্লাহর ভয় ও দায়িত্ববোধ থাকা দরকার।
- হাদিসটি অকারণ বিচ্ছেদ থেকে সাবধান করে।
