১২/১৩. অধ্যায়ঃ
মুতআ বিবাহ
আত্মীয় নারীদের একত্রে বিয়ে সম্পর্কে হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৬৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৬৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا خَطَّابُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَ الْعَمَّةِ وَالْخَالَةِ وَبَيْنَ الْخَالَتَيْنِ وَالْعَمَّتَيْنِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এমন দুই মহিলাকে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে ফুফু ও ভাতিজি এবং খালা ও ভাগ্নি। অনুরূপভাবে তিনি এমন দু’জন মহিলাকেও একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যারা পরস্পর খালা বা ফুফু।
[২০৬৭] তিরমিযী, আহমাদ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এমন কিছু নারীকে একত্রে বিয়ে করার নিষেধাজ্ঞা এসেছে, যাদের মধ্যে নিকট আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) ফুফু ও ভাতিজি, খালা ও ভাগ্নি—এ ধরনের দুই নারীকে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসে আরও এসেছে, এমন দুই নারীও একত্রে বিয়ে করা যাবে না যারা পরস্পর খালা বা ফুফু সম্পর্কের। এটি বিবাহের ক্ষেত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার শিক্ষা দেয়। শুধু বিয়ে বৈধ কি না, তা নয়; কার সঙ্গে একত্রে বিবাহ করা যাবে না—এই বিষয়ও শরিয়তে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। তাই বিয়ের সিদ্ধান্তে আত্মীয়তার দিক খেয়াল করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফুফু-ভাতিজি ও খালা-ভাগ্নিকে একত্রে বিয়ে করা নিষেধ।
- পরস্পর খালা বা ফুফু সম্পর্কের দুই নারীকে একত্রে নেওয়া যাবে না।
- বিবাহে আত্মীয়তার সম্পর্ক ভালোভাবে জানা দরকার।
- শরয়ি বিধান পরিবার ও সম্পর্কের সীমা রক্ষা করে।
