১২/৭. অধ্যায়ঃ
দুধপিতা সম্পর্কে
দুধসম্পর্কে বিয়ে হারাম হওয়ার বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৫৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৫৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلاَدَةِ " .
নাবী (ﷺ) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম, অনুরূপভাবে দুধপানজনিত সম্পর্কের কারণেও তারা হারাম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক বিধান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম, দুধপানজনিত সম্পর্কের কারণেও তারা হারাম। অর্থাৎ দুধসম্পর্ক শুধু সাধারণ পরিচয় নয়; এটি বিয়ের ক্ষেত্রে বাস্তব প্রভাব রাখে। ইসলামে পরিবার, বংশ এবং সম্পর্কের সীমা পরিষ্কার রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুধমা, দুধভাই, দুধবোন এবং সংশ্লিষ্ট সম্পর্কের বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারও সঙ্গে দুধসম্পর্ক আছে কি না, তা জানার চেষ্টা করা উচিত, যাতে ভুল সম্পর্ক বা হারাম বিয়ে থেকে বাঁচা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুধপানজনিত সম্পর্ক বিয়ের ক্ষেত্রে প্রভাব রাখে।
- রক্তের সম্পর্কের মতো দুধসম্পর্কেও হারাম সম্পর্ক হতে পারে।
- বিয়ের আগে পারিবারিক সম্পর্ক যাচাই করা জরুরি।
- ইসলাম সম্পর্কের সীমা পরিষ্কার রাখতে শিক্ষা দেয়।
