১২/৫. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর বিয়ে করে
সাজাপ্রাপ্ত ব্যভিচারীর বিয়ের বিষয়ে সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৫২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৫২
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو مَعْمَرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ حَبِيبٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلاَّ مِثْلَهُ " . وَقَالَ أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنِي حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সাজাপ্রাপ্ত ব্যভিচারী তার অনুরূপ কাউকে বিয়ে করবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, সাজাপ্রাপ্ত ব্যভিচারী তার অনুরূপ কাউকে বিয়ে করবে। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাতেও অতিরিক্ত কথা যোগ না করা উচিত। এখানে মূল বিষয় হলো, প্রকাশ্য পাপ, শাস্তি এবং বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্কতা। বিয়ে শুধু সামাজিক চুক্তি নয়; এর সঙ্গে চরিত্র, পবিত্রতা এবং বিশ্বাসের সম্পর্ক আছে। তাই হাদিসটি মুসলিমকে শেখায়, বিয়ের আগে ব্যক্তির চরিত্র ও জীবনযাপন বিবেচনা করা জরুরি। একই সঙ্গে কাউকে অপবাদ দেওয়া বা প্রমাণ ছাড়া কথা বলা ঠিক নয়। কারণ হাদিসে ‘সাজাপ্রাপ্ত’ শব্দ এসেছে, অর্থাৎ বিষয়টি প্রমাণিত অবস্থার সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিয়ের ক্ষেত্রে চরিত্র ও পবিত্রতা গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রমাণ ছাড়া কাউকে ব্যভিচারের অভিযোগ করা ঠিক নয়।
- প্রকাশ্য পাপের প্রভাব ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে পড়ে।
- বিয়ে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে সতর্কতা দরকার।
