১১/৮১. অধ্যায়ঃ
যদি কোন মহিলা উমরার জন্য ইহরাম বাঁধার পর ঋতুবতী হয় এবং এমতাবস্থায় হজ্জের সময় উপস্থিত হওয়ায় সে উমরার ইহরাম ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধে, তাহলে তাকে তার উমরাহ কাজা করতে হবে কিনা?
রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুইবার উমরাহ করেছেন—জিলকদ ও শাওয়ালের বর্ণনা
সুনানে আবু দাউদ : ১৯৯১
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১৯৯১
حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اعْتَمَرَ عُمْرَتَيْنِ عُمْرَةً فِي ذِي الْقَعْدَةِ وَعُمْرَةً فِي شَوَّالٍ .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইবার উমরা করেছেন। একটি জিলকদ মাসে এবং অপরটি শাওয়াল মাসে।
সহীহ : কিন্তু তার কথা : শাওয়াল অর্থাৎ প্রথমটি। অন্যতায় সেটিও যিলক্বাদ মাসে।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ১৯৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দুইবার উমরাহ করেছেন। একটি উমরাহ ছিল জিলকদ মাসে এবং অন্যটি শাওয়াল মাসে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও নবীজির উমরাহর সময় সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট তথ্য দেয়। যারা জানতে চান রাসূলুল্লাহ কতবার উমরাহ করেছেন বা কোন মাসে উমরাহ করেছেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। তবে একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনায় উমরাহর সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন বিবরণও এসেছে। তাই এই হাদিস ব্যাখ্যা করার সময় শুধু এখানে যা আছে তা বলা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর উমরাহর মধ্যে জিলকদ ও শাওয়াল মাসের উল্লেখ পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দুই উমরাহর কথা এসেছে।
- একটি উমরাহ জিলকদ মাসে এবং আরেকটি শাওয়াল মাসে হয়েছে।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত তথ্যকে তার সীমার মধ্যেই বোঝা উচিত।
- নবীজির উমরাহ সম্পর্কে জানতে বিভিন্ন বর্ণনা একসঙ্গে দেখা দরকার।
