১১/৬৫. অধ্যায়ঃ
মুযদালিফায় সালাত আদায়
বিদায় হজ্জে নবীজির চলার গতি কেমন ছিল
সুনানে আবু দাউদ : ১৯২৩
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১৯২৩
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَأَنَا جَالِسٌ، كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسِيرُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ حِينَ دَفَعَ قَالَ كَانَ يَسِيرُ الْعَنَقَ فَإِذَا وَجَدَ فَجْوَةً نَصَّ . قَالَ هِشَامٌ النَّصُّ فَوْقَ الْعَنَقِ .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তাঁর পিতার হতে বর্ণিতঃ
আমি উসামা (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিদায় হজ্জে কিভাবে পথ চলেছেন সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মধ্যম গতিতেই চলেছেন। তিনি প্রশস্ত পথে উপনীত হলে একটু দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতেন। হিশাম (রহঃ) বলেন, এরূপ গতিকে ‘আন-নাস্স’ ‘আনাক বলে।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ১৯২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উসামা ইবনু যায়িদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিদায় হজ্জে আরাফা থেকে ফেরার সময় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কীভাবে পথ চলতেন। তিনি জানান, নবীজি মধ্যম গতিতে চলতেন। আর যখন প্রশস্ত বা ফাঁকা পথ পেতেন, তখন একটু দ্রুত গতিতে অতিক্রম করতেন। হিশাম (রহঃ) এ দ্রুততর গতির ভাষাগত ব্যাখ্যাও করেছেন। এই বর্ণনা থেকে হজ্জে পথ চলার একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। সব সময় দ্রুত নয়, আবার পথ ফাঁকা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী এগোনো—এটাই ছিল নববী আচরণ। হজ্জের যাত্রায় শৃঙ্খলা, বাস্তবতা ও মানুষের ভিড়ের প্রতি খেয়াল রাখা এখানে মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের পথে সাধারণভাবে মধ্যম গতি রাখা নবীজির আমল।
- পথ ফাঁকা হলে প্রয়োজনমতো একটু দ্রুত চলা যায়।
- ভিড় ও পথের অবস্থা দেখে চলা বুদ্ধিমানের কাজ।
- সাহাবিরা নবীজির চলার ধরনও জিজ্ঞেস করে শিখতেন।
