১১/২১. অধ্যায়ঃ
ইহরাম বাঁধার সময়
কসাইকে কুরবানির অংশ দিয়ে মজুরি নয়
সুনানে আবু দাউদ : ১৭৬৯
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১৭৬৯
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، - يَعْنِي ابْنَ عُيَيْنَةَ - عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيِّ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقُومَ عَلَى بُدْنِهِ وَأَقْسِمَ جُلُودَهَا وَجِلاَلَهَا وَأَمَرَنِي أَنْ لاَ أُعْطِيَ الْجَزَّارَ مِنْهَا شَيْئًا وَقَالَ " نَحْنُ نُعْطِيهِ مِنْ عِنْدِنَا " .
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তাঁর কুরবানির পশুর দেখাশোনা, চামড়া ও তার আচ্ছাদন (জিলাল) বণ্টনের নির্দেশ দেন এবং কসাইকে তা থেকে কিছু না দেয়ার নির্দেশ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, তবে কসাইকে আমরা নিজেদের পক্ষ হতে আলাদাভাবে পারিশ্রমিক দিতাম।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ১৭৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরবানির পশুর চামড়া, আচ্ছাদন এবং কসাইয়ের মজুরি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এসেছে। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে কুরবানির পশুর দেখাশোনা এবং চামড়া ও আচ্ছাদন বণ্টনের দায়িত্ব দেন। একই সঙ্গে নির্দেশ দেন, কসাইকে এই পশুর কোনো অংশ মজুরি হিসেবে দেওয়া যাবে না। বর্ণনাকারী বলেন, কসাইকে তাঁরা নিজেদের পক্ষ থেকে আলাদা পারিশ্রমিক দিতেন। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, কুরবানির পশুর অংশকে শ্রমের মূল্য বানানো যাবে না। চামড়া, গোশত বা আচ্ছাদন ইবাদতের অংশ হিসেবে বণ্টনের বিষয়; আর কসাইয়ের পাওনা আলাদা হিসাবের বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির পশুর চামড়া ও আচ্ছাদন বণ্টনের নির্দেশ এসেছে।
- কসাইকে কুরবানির অংশ মজুরি হিসেবে দেওয়া যাবে না।
- কসাইয়ের পারিশ্রমিক আলাদা থেকে পরিশোধ করতে হবে।
- ইবাদতের সম্পদ ও শ্রমের মজুরি আলাদা রাখা উচিত।
