১১/১৯. অধ্যায়ঃ
নিজ হাতে কুরবানি করা এবং অন্যের সহযোগিতা নেয়া
অচল কুরবানির পশু হলে করণীয়
সুনানে আবূ দাউদ : ১৭৬২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৬২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَاجِيَةَ الأَسْلَمِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مَعَهُ بِهَدْىٍ فَقَالَ " إِنْ عَطِبَ مِنْهَا شَىْءٌ فَانْحَرْهُ ثُمَّ اصْبَغْ نَعْلَهُ فِي دَمِهِ ثُمَّ خَلِّ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّاسِ " .
নাজিয়াতুল আসলামী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে তাঁর কুরবানির পশুর সাথে (মক্কায়) প্রেরণের সময় বলেছেনঃ এগুলোর কোনোটি অচল হয়ে পড়লে তা যবেহ করে সেটির গলায় বাঁধানো জুতা রক্তের মধ্যে ফেলে দেবে এবং মানুষের জন্য রেখে দেবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জের কুরবানির পশু পথে অচল হয়ে গেলে কী করতে হবে, তা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যখন কুরবানির পশু মক্কায় পাঠাচ্ছিলেন, তখন নির্দেশ দেন—যদি কোনো পশু অচল হয়ে পড়ে, তাহলে সেটি যবেহ করতে হবে। এরপর তার গলায় বাঁধা জুতা রক্তে মেখে চিহ্ন হিসেবে রেখে দিতে হবে এবং মানুষের জন্য ছেড়ে দিতে হবে। এই বর্ণনায় দেখা যায়, কুরবানির পশু হারিয়ে ফেলা বা অবহেলায় নষ্ট করে দেওয়ার বিষয় নেই; বরং নির্দিষ্ট নিয়মে সেটিকে ব্যবহারযোগ্য করে মানুষের জন্য রেখে দেওয়ার নির্দেশ আছে। এতে হাদী পশুর নিয়ম, আমানতদারি এবং মানুষের উপকার—তিনটি বিষয়ই পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির পশু পথে অচল হলে তা অবহেলায় ফেলে রাখা যাবে না।
- পশুটি যবেহ করে চিহ্নিত করে মানুষের জন্য রেখে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- হজ্জের হাদী পশুর দায়িত্ব আমানতের মতো পালন করতে হয়।
- ইবাদতের কাজে নিয়ম মেনে কাজ করা জরুরি।
