৮/২৯. অধ্যায়ঃ
কারো অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করা সম্পর্কে
তিন ব্যক্তির দোয়া কবুল: পিতা, মুসাফির ও মজলুম
সুনানে আবূ দাউদ : ১৫৩৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৫৩৬
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " ثَلاَثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٌ لاَ شَكَّ فِيهِنَّ دَعْوَةُ الْوَالِدِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ وَدَعْوَةُ الْمَظْلُومِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, তিন ব্যক্তির দোয়া নিঃসন্দেহে কবুল হয় : (১) পিতার দোয়া, (২) মুসাফিরের দোয়া, (৩) মজলুমের দোয়া।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) তিন ধরনের দোয়ার কথা বলেছেন, যা নিঃসন্দেহে কবুল হয়। সেগুলো হলো পিতার দোয়া, মুসাফিরের দোয়া এবং মজলুমের দোয়া। এখানে দোয়ার গুরুত্বের পাশাপাশি সম্পর্ক ও অবস্থার গুরুত্বও বোঝানো হয়েছে। পিতা সন্তানের জন্য দোয়া করলে তা বিশেষ মর্যাদার বিষয়। মুসাফির সফরের অবস্থায় থাকে, তার দোয়ার কথাও হাদিসে এসেছে। আর মজলুম বা অত্যাচারিত মানুষের দোয়া খুব সতর্কতার বিষয়, কারণ সে কষ্টের অবস্থায় আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে। এই হাদিস মানুষকে দোয়া চাইতে শেখায়, আবার অন্যায় করা থেকে সাবধানও করে। বিশেষ করে কারও ওপর জুলুম না করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পিতার দোয়ার মর্যাদা আছে—তাই বাবা-মায়ের সন্তুষ্টি খোঁজা দরকার।
- মুসাফিরের দোয়া কবুল হওয়ার কথা হাদিসে এসেছে।
- মজলুমের দোয়া থেকে বাঁচতে অন্যায়ের পথ এড়ানো উচিত।
