৮/২৬. অধ্যায়ঃ
ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) সম্পর্কে
সালাতের পর সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠের আমল
সুনানে আবূ দাউদ : ১৫২৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৫২৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّ حُنَيْنَ بْنَ أَبِي حَكِيمٍ، حَدَّثَهُ عَنْ عُلَىِّ بْنِ رَبَاحٍ اللَّخْمِيِّ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ بِالْمُعَوِّذَاتِ دُبُرَ كُلِّ صَلاَةٍ .
‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর ‘কুল আউযু বিরব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরব্বিন নাস’ সূরা দুটি পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষেপে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উকবা ইবনু আমির (রাঃ)-কে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউযাত পাঠ করতে নির্দেশ দেন। অনুবাদে বিশেষভাবে সূরা ফালাক এবং সূরা নাসের কথা এসেছে। এই দুই সূরার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চায়। তাই সালাতের পর সূরা ফালাক ও নাস পাঠ করা কেবল মুখের আমল নয়; এটি আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার একটি সহজ পথ। হাদিসের বক্তব্য খুব সরল: নামাজ শেষে এই সূরাগুলো পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই যারা নামাজের পর দোয়া ও যিকর খোঁজেন, তাদের জন্য এটি সহজে করা যায় এমন একটি আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রত্যেক সালাতের পর সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা নির্দেশিত আমল।
- আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার জন্য এই সূরাগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
- নামাজের পর সংক্ষিপ্ত আমলও নিয়মিত করলে উপকারী হতে পারে।
