৫/১৯. অধ্যায়ঃ
সালাতের মধ্যে তন্দ্রা এলে
সালাতে ঝিমুনি এলে কী করা উচিত
সুনানে আবু দাউদ : ১৩১০
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১৩১০
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ فَلْيَرْقُدْ حَتَّى يَذْهَبَ عَنْهُ النَّوْمُ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا صَلَّى وَهُوَ نَاعِسٌ لَعَلَّهُ يَذْهَبُ يَسْتَغْفِرُ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ " .
নাবী (ﷺ) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঝিমুনি এলে ঝিমুনি দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন অবশ্যই শুয়ে পড়ে। কেননা কেউ ঘুমের ঘোরে সালাত আদায় করলে হয়তো সে নিজের ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেকে গালি দিবে।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ১৩১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সালাতের সময় ঝিমুনি আসলে কী করতে হবে তা সহজভাবে বলেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কারো সালাতরত অবস্থায় ঘুমঘোর বা ঝিমুনি এলে সে যেন ঘুম দূর না হওয়া পর্যন্ত শুয়ে পড়ে। কারণ এমন অবস্থায় মানুষ কী বলছে তা ঠিকভাবে বুঝতে নাও পারে। সে ক্ষমা চাইতে গিয়ে নিজের জন্য খারাপ কথা বলে ফেলতে পারে। এই হাদিস রাতের সালাতের ভারসাম্য শেখায়। ইবাদত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অজ্ঞানভাবে, ঘুমের ঘোরে বা বুঝে না পড়া ইবাদতের সৌন্দর্য কমিয়ে দেয়। তাই সালাত হওয়া উচিত সচেতনতা, মনোযোগ ও বুঝে দো‘আ করার সঙ্গে। ক্লান্তি এলে বিশ্রাম নিয়ে আবার সতেজ মনে ইবাদত করা উত্তম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমঘোরে সালাত চালিয়ে যাওয়া ঠিক মনোযোগ আনতে পারে না।
- দো‘আ ও ইস্তিগফার বুঝে বলা জরুরি।
- ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নিয়ে পরে সালাত আদায় করা ভালো।
- ইবাদতে শরীরের অবস্থা বিবেচনা করা নবীজির শিক্ষা।
