১/৫০. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর ওজুর বিবরণ
ওজুর অঙ্গ তিনবার ধোয়ার বর্ণনা ও পা ধোয়ার উল্লেখ
সুনানে আবূ দাউদ : ১২৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১২৫
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ فَتَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ بِغَيْرِ عَدَدٍ .
মাহমূদ ইবনু খালিদ হতে বর্ণিতঃ
ওয়ালিদ অনুরূপ সানাদে বর্ণনা করে বলেছেনঃ তিনি (মুয়াবিয়া) ওজুর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধৌত করেন এবং উভয় পা ধৌত করেন কয়েকবার (গণনা ব্যতীত)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ওজুর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এসেছে। ওয়ালিদ অনুরূপ সানাদে বর্ণনা করে বলেন, মুয়াবিয়া (রাঃ) ওজুর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধুয়েছেন। পাশাপাশি তিনি দুই পা ধুয়েছেন কয়েকবার, তবে সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। এই বর্ণনা থেকে ওজুর অঙ্গ তিনবার ধোয়া, পা ধোয়ার গুরুত্ব এবং ওজুর কাজগুলো আলাদা আলাদা অঙ্গে সম্পন্ন করার বিষয়টি বোঝা যায়। এখানে বিস্তারিত ধাপ না থাকলেও মূল বিষয় হলো, ওজুর ধোয়ার অঙ্গগুলো যত্নের সঙ্গে ধোয়া হয়েছে। তবে পা ধোয়ার ক্ষেত্রে বর্ণনায় ‘গণনা ব্যতীত’ বলা হয়েছে, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে শুধু বর্ণিত কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওজুর অঙ্গগুলো তিনবার করে ধোয়ার বর্ণনা এখানে এসেছে।
- দুই পা ধোয়ার বিষয়টি আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
- হাদিসে যে সংখ্যা যেভাবে এসেছে, সেটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
