১/৪. অধ্যায়ঃ
কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করা মাকরুহ
কিবলামুখী পেশাব: খোলা জায়গা ও আড়ালযুক্ত স্থানের পার্থক্য
সুনানে আবূ দাউদ : ১১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنْ مَرْوَانَ الأَصْفَرِ، قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ أَنَاخَ رَاحِلَتَهُ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ ثُمَّ جَلَسَ يَبُولُ إِلَيْهَا فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَلَيْسَ قَدْ نُهِيَ عَنْ هَذَا قَالَ بَلَى إِنَّمَا نُهِيَ عَنْ ذَلِكَ فِي الْفَضَاءِ فَإِذَا كَانَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ شَىْءٌ يَسْتُرُكَ فَلاَ بَأْسَ .
মারওয়ান আল-আস্ফার হতে বর্ণিতঃ
আমি দেখলাম, ইবনু উমর (রাঃ) তার উটকে কেবলার দিকে বসালেন। অতঃপর ঐ উটের দিকে মুখ করে বসে পেশাব করলেন। আমি বললাম, হে আবু আব্দুর রহমান! এ থেকে (অর্থাৎ কেবলামুখী হয়ে পেশাব করতে) নিষেধ করা হয়নি কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে এ নিষেধ উন্মুক্ত ময়দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তোমরা এবং কেবলার মাঝখানে কোন কিছুর আড়াল থাকলে তা দুষণীয় নয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ)-এর একটি আমল ও ব্যাখ্যা এসেছে। বর্ণনাকারী দেখেন, তিনি উটকে কেবলার দিকে বসিয়ে তার দিকে মুখ করে পেশাব করলেন। প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নিষেধ আছে, তবে সেটি উন্মুক্ত ময়দানের জন্য। যদি তোমার ও কেবলার মাঝে কোনো আড়াল থাকে, তাহলে দোষ নেই। এই হাদিসে মূল বিষয় হলো কিবলার দিক ও আড়ালের পার্থক্য। ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার, কারণ এখানে সরাসরি ইবনু উমর (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে; তাই এটিকে সাধারণ শৌচাচারের একটি ব্যাখ্যামূলক দিক হিসেবে বোঝা যায়। “কিবলার দিকে পেশাব করলে কি হবে” বা “আড়াল থাকলে কিবলামুখী পায়খানা” বিষয়গুলোতে এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিবলামুখী নিষেধের ক্ষেত্রে খোলা জায়গার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- আড়াল থাকলে অবস্থার পার্থক্য আছে বলে ইবনু উমর (রাঃ) ব্যাখ্যা করেছেন।
- বিষয় বুঝতে সাহাবিদের ব্যাখ্যা মনোযোগ দিয়ে দেখা দরকার।
- শৌচাচারে কিবলার সম্মান ও আড়াল—দুই দিকই গুরুত্বপূর্ণ।
