২/১৯০. অধ্যায়ঃ
ইমামের সালামের জবাব দেয়া প্রসঙ্গে
সালাম দেওয়া ও ভালোবাসা: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের সহজ আমল
সুনানে আবূ দাউদ : ১০০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০০১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ أَبُو الْجَمَاهِرِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، قَالَ أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَرُدَّ عَلَى الإِمَامِ وَأَنْ نَتَحَابَّ وَأَنْ يُسَلِّمَ بَعْضُنَا عَلَى بَعْضٍ .
সামুরাহ হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আমাদেরকে আদেশ করেছেন ইমামের সালামের জবাব দিতে, পরস্পরকে ভালোবাসতে এবং একে অন্যকে সালাম দিতে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দিয়েছেন। ইমামের সালামের জবাব দেওয়া, পরস্পরকে ভালোবাসা এবং একে অন্যকে সালাম দেওয়া। এখানে মূল বিষয় হলো সালাম ও মুসলিম ভ্রাতৃত্ব। সালাম শুধু একটি অভিবাদন নয়; এটি শান্তি, দোয়া এবং ভালো সম্পর্কের প্রকাশ। হাদিসের ভাষা খুব সহজ, কিন্তু শিক্ষা গভীর। একজন মুসলিম যখন অন্য মুসলিমকে সালাম দেয়, তখন তার মধ্যে আন্তরিকতা ও ভালোবাসার বার্তা থাকে। আবার ইমামের সালামের জবাব দেওয়া জামাআতের শৃঙ্খলার অংশ। তাই সালাম দেওয়া, সালামের জবাব দেওয়া এবং পারস্পরিক ভালোবাসা—এগুলো মুসলিম সমাজে সৌহার্দ্য বাড়ানোর সহজ পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামের সালামের জবাব দেওয়া সালাতের আদবের অংশ।
- মুসলিমদের মাঝে ভালোবাসা বজায় রাখা নববী নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত।
- একজন মুসলিম অন্য মুসলিমকে সালাম দিলে শান্তি ও দোয়ার পরিবেশ তৈরি হয়।
- সালাম ছড়ানো পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর করার সহজ আমল।
