১/৪. অধ্যায়ঃ
কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করা মাকরুহ
পেশাব-পায়খানায় দুই কিবলার দিকে মুখ না করার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ১০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِي زَيْدٍ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ أَبِي مَعْقِلٍ الأَسَدِيِّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَتَيْنِ بِبَوْلٍ أَوْ غَائِطٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَأَبُو زَيْدٍ هُوَ مَوْلَى بَنِي ثَعْلَبَةَ .
মা’ক্বিল ইবনু আবূ মা’ক্বিল আল-আসাদী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) দুই কেবলার (কাবা ও বাইতুল মাকদিসের) দিকে মুখ করে পেশাব-পায়খানা করতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পেশাব-পায়খানার সময় দুই কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনায় দুই কিবলা বলতে কাবা ও বাইতুল মাকদিসের কথা এসেছে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো সম্মানিত দিকের প্রতি আদব রাখা। শৌচকাজ মানুষের প্রয়োজন হলেও, সে প্রয়োজনের সময়ও ইসলামী শালীনতা ও সম্মানের সীমা মানা শেখানো হয়েছে। “কেবলামুখী পায়খানা করা যাবে কি” বা “দুই কিবলার দিকে পেশাব নিষেধ” ধরনের অনুসন্ধানের জন্য এই হাদিস সরাসরি সম্পর্কিত। এখানে অতিরিক্ত আলোচনা না করে বলা যায়, পেশাব-পায়খানার সময় দিক নির্বাচনেও সতর্কতা শেখানো হয়েছে। এটি দৈনন্দিন শৌচাচারকে শুধু স্বাস্থ্যবিধি নয়, দ্বীনি আদবের সঙ্গে যুক্ত করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পেশাব-পায়খানার সময় সম্মানিত দিকের আদব রাখা উচিত।
- কাবা ও বাইতুল মাকদিসের দিকে মুখ করা থেকে নিষেধ এসেছে।
- শৌচকাজেও ইসলামী ভদ্রতা মানতে হয়।
- দিক নির্বাচন নিয়ে বেখেয়াল থাকা ঠিক নয়।
