৭/১৪. অধ্যায়ঃ
এতিমদের দেখাশুনা করা
এতীমের দেখাশুনা: জান্নাতের নিকটতার মহান শিক্ষা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ৮৭
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ৮৭
সাহল ইবনে সা’আদ হতে বর্ণিতঃ
সাহল ইবনে সা’আদ নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি ও এতীমদের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে এত দূর ব্যবধানে থাকবো। তারপর তিনি নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলী দিয়ে ইঙ্গিত করে দেখালেন।” (বুখারী ৬০০৫)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এতীমের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণকারীর বিশেষ মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনি ও এতীমের দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে খুব কাছাকাছি থাকবেন। তিনি নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করে সেই নিকটতা বোঝান। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা খুব গভীর। এতীমের দেখাশুনা শুধু আর্থিক সাহায্য নয়; দায়িত্ব, যত্ন ও পাশে থাকার বিষয়ও এতে বোঝা যায়। এতীমের ফজিলত হাদিস, এতীমের দায়িত্ব এবং জান্নাতে মর্যাদা—এই বিষয়গুলো এখানে মূল। তবে অতিরঞ্জন না করে বলা যায়, এতীমের প্রতি দয়া ও দায়িত্বশীলতা আল্লাহর কাছে প্রিয় নেক আমলের মধ্যে পড়ে। সমাজে দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুন্দর পথ এই হাদিসে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এতীমের দায়িত্ব নেওয়া বড় নেক কাজ।
- দুর্বল ও অভিভাবকহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
- এতীমের যত্ন জান্নাতে মর্যাদার কারণ হতে পারে।
- দায়িত্ব নেওয়ার কাজ শুধু কথায় নয়, বাস্তব সাহায্যে প্রকাশ পায়।
