১/১. অধ্যায়ঃ
উপদেশ গ্রহণের গুরুত্ব
সালাত যাকাত ও সকল মুসলমানের কল্যাণ কামনার বায়আত
ঊপদেশ : ২
ঊপদেশহাদিস নম্বর ২
عَنْ جَرِيْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ بَايَعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم عَلَى إِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ.
জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বায়’আত বা শপথ করেছি ছালাত প্রতিষ্ঠা করার, যাকাত প্রদান করার এবং সকল মুসলমানের কল্যাণ কামনা করার (বুখারী হা/৫৭, ৫২৪; মুসলিম হা/৫৬)।
ঊপদেশ হাদিস ২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বায়আত করেছেন তিনটি বিষয়ের উপর: সালাত প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত প্রদান করা এবং সকল মুসলমানের কল্যাণ কামনা করা। এখানে সালাত, যাকাত ও নসীহত একসঙ্গে এসেছে। এতে বোঝা যায়, ইবাদত শুধু ব্যক্তিগত কাজ নয়; মুসলমানদের জন্য ভালো চাওয়াও দ্বীনের অংশ। সালাত মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে, যাকাত সম্পদের দায়িত্ব শেখায়, আর মুসলমানের কল্যাণ কামনা সমাজকে সুন্দর করে। এই বায়আত হাদিস আমাদের শেখায়, একজন মুসলিম নিজের ইবাদত ঠিক রাখার পাশাপাশি অন্য মুসলমানের ক্ষতি নয়, বরং কল্যাণ চায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত প্রতিষ্ঠা করা মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
- যাকাত আদায় সম্পদের হক বুঝে দেওয়ার শিক্ষা দেয়।
- সকল মুসলমানের কল্যাণ কামনা দ্বীনের সুন্দর আচরণ।
- বায়আত মানে দায়িত্ব মেনে চলার অঙ্গীকার।
