জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা

মোট হাদিস ৪৬

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৬০২

عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا أَبِيْ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ قَالَ حَدَّثَنِيْ إِبْرَاهِيْمُ عَنِ الْأَسْوَدِ قَالَ كُنَّا فِيْ حَلْقَةِ عَبْدِ اللهِ فَجَاءَ حُذَيْفَةُ حَتَّى قَامَ عَلَيْنَا فَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَقَدْ أُنْزِلَ النِّفَاقُ عَلَى قَوْمٍ خَيْرٍ مِنْكُمْ قَالَ الْأَسْوَدُ سُبْحَانَ اللهِ إِنَّ اللهَ يَقُوْلُ : {إِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ فِي اَلدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ} فَتَبَسَّمَ عَبْدُ اللهِ وَجَلَسَ حُذَيْفَةُ فِيْ نَاحِيَةِ الْمَسْجِدِ فَقَامَ عَبْدُ اللهِ فَتَفَرَّقَ أَصْحَابُهُ فَرَمَانِيْ بِالْحَصَا فَأَتَيْتُهُ فَقَالَ حُذَيْفَةُ عَجِبْتُ مِنْ ضَحِكِهِ وَقَدْ عَرَفَ مَا قُلْتُ لَقَدْ أُنْزِلَ النِّفَاقُ عَلَى قَوْمٍ كَانُوْا خَيْرًا مِنْكُمْ ثُمَّ تَابُوْا فَتَابَ اللهُ عَلَيْهِمْ.

আসওয়াদ (রহ.) হতে বর্ণিতঃ

আমরা আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মজলিসে ছিলাম, সেখানে হুযাইফা (রাঃ) আসলেন এবং আমাদের সম্মুখে দণ্ডায়মান হয়ে সালাম দিলেন। এরপর বললেন, তোমাদের চেয়ে উত্তম গোত্রের উপরও মুনাফিকী এসেছিল।আসওয়াদ বললেন, সুবহানাল্লাহ! অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “মুনাফিকগণ জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে থাকবে”। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হেসে উঠলেন।হুযাইফা (রাঃ) মসজিদের এক কোণে গিয়ে বসলেন, আব্দুল্লাহ (রাঃ) উঠে গেলে তাঁর শিষ্যবর্গও চলে গেলেন। এরপর হুযাইফা (রাঃ) আমার দিকে একটি পাথর টুকরো নিক্ষেপ করে আমাকে ডাকলেন। আমি তার নিকট গেলে তিনি বললেন, আমি তার হাসিতে বিস্মিত হলাম অথচ আমি যা বলেছি তা তিনি বুঝেছেন। এমন এক গোত্র যারা তোমাদের চেয়ে উত্তম তাদের মধ্যেও মুনাফিকী সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারপর তারা তাওবা করেছে এবং আল্লাহ তা‘আলা তাদের তাওবা গ্রহণ করেছেন।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৪১,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪২৪৪)

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৭৩০

عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَبِيْ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ حَدَّثَنَا أَبُوْ صَالِحٍ عَنْ أَبِيْ سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُؤْتَى بِالْمَوْتِ كَهَيْئَةِ كَبْشٍ أَمْلَحَ فَيُنَادِيْ مُنَادٍ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ فَيَشْرَئِبُّوْنَ وَيَنْظُرُوْنَ فَيَقُوْلُ هَلْ تَعْرِفُوْنَ هَذَا فَيَقُوْلُوْنَ نَعَمْ هَذَا الْمَوْتُ وَكُلُّهُمْ قَدْ رَآهُ ثُمَّ يُنَادِيْ يَا أَهْلَ النَّارِ فَيَشْرَئِبُّوْنَ وَيَنْظُرُوْنَ فَيَقُوْلُ هَلْ تَعْرِفُوْنَ هَذَا فَيَقُوْلُوْنَ نَعَمْ هَذَا الْمَوْتُ وَكُلُّهُمْ قَدْ رَآهُ فَيُذْبَحُ ثُمَّ يَقُوْلُ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ خُلُوْدٌ فَلَا مَوْتَ وَيَا أَهْلَ النَّارِ خُلُوْدٌ فَلَا مَوْتَ ثُمَّ قَرَأَ {وَأَنْذِرْهُمْ يَوْمَ الْحَسْرَةِ إِذْ قُضِيَ الْأَمْرُ وَهُمْ فِيْ غَفْلَةٍ} وَهَؤُلَاءِ فِيْ غَفْلَةٍ أَهْلُ الدُّنْيَا {وَهُمْ لَا يُؤْمِنُوْنَ}.

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কেয়ামতের দিবসে মৃত্যুকে একটি ধূসর রঙের মেষের আকারে আনা হবে। তখন একজন সম্বোধনকারী ডাক দিয়ে বলবেন, হে জান্নাতবাসী! তখন তারা ঘাড়-মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে। সম্বোধনকারী বলবে, তোমরা কি একে চেন? তারা বলবেন হ্যাঁ, এ হল মৃত্যু। কেননা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর সম্বোধনকারী আবার ডেকে বলবেন, হে জাহান্নামবাসী! জাহান্নামীরা মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে, তখন সম্বোধনকারী বলবে তোমরা কি একে চেন? তারা বলবে, হ্যাঁ, এ তো মৃত্যু। কেননা তারা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর (সেটিকে) যবহ করা হবে। আর ঘোষক বলবেন, হে জান্নাতবাসী! স্থায়ীভাবে (এখানে) থাক। তোমাদের আর কোন মৃত্যু নেই। আর হে জাহান্নামবাসী! চিরদিন (এখানে) থাক। তোমাদের আর মৃত্যু নেই। এরপর রসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঠ করলেনঃ ’’তাদের সতর্ক করে দাও পরিতাপের দিবস সম্বন্ধে, যখন সকল ফয়সালা হয়ে যাবে অথচ এখন তারা গাফিল, তারা অসতর্ক দুনিয়াবাসী-অবিশ্বাসী।”

[মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৯, আহমাদ ১১০৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৬৯,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৭১)[১] আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ اَيُّهُمْ اَشَدُّ عَلَى الرَّحْمنِ عِتِيًا যে দয়াময়ের প্রতি সর্বাধিক অবাধ্য। (সূরাহ নাহল ১৬/৬৯)

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৭৭৯

عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِيْنَ مَا لَا عَيْنٌ رَأَتْ وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلَا خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ قَالَ أَبُوْ هُرَيْرَةَ اقْرَءُوْا إِنْ شِئْتُمْ {فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّآ أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ}و حَدَّثَنَا عَلِيٌّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ اللهُ مِثْلَهُ قِيْلَ لِسُفْيَانَ رِوَايَةً قَالَ فَأَيُّ شَيْءٍ؟ قَالَ أَبُوْ مُعَاوِيَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِيْ صَالِحٍ قَرَأَ أَبُوْ هُرَيْرَةَ قُرَّاتِ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব বস্তু বানিয়ে রেখেছি, যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শোনেনি এবং কোন অন্তঃকরণ চিন্তা করেনি। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেছেন, তোমরা চাইলে এ আয়াত তিলাওয়াত কর : “কেউ জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কোন বিষয় লুকিয়ে রাখা হয়েছে” (সূরা আস-সিজদা ৩২/১৭)।সুফিয়ান (রহঃ).....আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, পরের অংশ আগের হাদিসের মত। আবু সুফিয়ান (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কি এ হাদিস রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, তা ছাড়া আর কী?আবু মু'আবিয়া (রহঃ).....আবু সালিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। আবু হুরাইরা (রাঃ) قُرَاتِ (“আলিফ” এবং লম্বা ‘তা’ সহ) পড়েছিলেন।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৪১৫) [৩২৪৪] (ই.ফা. ৪৪১৭)

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন