৬/১৪২. অধ্যায়ঃ

যে হাঁচি দিবে সে আলহামদু লিল্লাহ বললে তার উত্তর দেওয়া মুস্তাহাব। নচেৎ তা অপছন্দনীয়। হাঁচির উত্তর দেওয়া, হাঁচি ও হাই তোলা সম্পর্কিত আদব-কায়দা

হাঁচির জবাব কখন দিতে হয়: আলহামদুলিল্লাহ বলার শর্ত

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/৮৮৫

وَعَنْ أَبي مُوسَى رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: « إِذَا عَطَسَ أحَدُكُمْ فَحَمِدَ اللهَ فَشَمِّتُوهُ، فَإنْ لَمْ يَحْمَدِ الله فَلاَ تُشَمِّتُوهُ ». رواه مسلم

আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)কে বলতে শুনেছি যে, ’’যখন তোমাদের কেউ হাঁচবে এবং ’আলহামদু লিল্লাহ’ বলবে, তখন তার উত্তর দাও। যদি সে ’আলহামদুলিল্লাহ’ না বলে, তাহলে তার উত্তর দিয়ো না।’’ (মুসলিম) [১]

মুসলিম ২৯৯২, আহমাদ ১৯১৯৭

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/৮৮৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হাঁচির জবাব দেওয়ার একটি স্পষ্ট নিয়ম বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ হাঁচলে এবং আলহামদুলিল্লাহ বললে তার উত্তর দাও। কিন্তু সে যদি আলহামদুলিল্লাহ না বলে, তাহলে তার উত্তর দিও না। তাই হাঁচির আদবের শুরু হাঁচিদাতার কাছ থেকেই হয়। সে আল্লাহর প্রশংসা করবে, তারপর অন্যরা তার জন্য দোয়া করবে। হাদিসটি আমাদের শেখায় যে, ইসলামী আদব শুধু সামাজিক ভদ্রতা নয়; এতে আল্লাহর স্মরণও জড়িত। কেউ আলহামদুলিল্লাহ না বললে তাকে জবাব না দেওয়ার কথা এসেছে—এটি হাদিসের সরাসরি নির্দেশ। তবে এতে কাউকে অপমান করার শিক্ষা নয়; বরং নিয়মটি বোঝানো হয়েছে। এতে বোঝা যায়, হাঁচির পর আল্লাহর প্রশংসা করা শুধু সুন্দর কথা নয়, বরং জবাব পাওয়ার কারণও।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাঁচিদাতা আলহামদুলিল্লাহ বললে জবাব দেওয়া হবে।
  • আলহামদুলিল্লাহ না বললে হাঁচির জবাব দেওয়া হবে না।
  • হাঁচির আদবে আল্লাহর প্রশংসা আগে আসে।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন