৬/১৩৮. অধ্যায়ঃ
অমুসলিমকে আগে সালাম দেওয়া হারাম এবং তাদের সালামের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি। কোন সভায় যদি মুসলিম-অমুসলিম সমবেত থাকে, তাহলে তাদের (মুসলিমদের)কে সালাম দেওয়া মুস্তাহাব
আহলে কিতাবের সালামের জবাব: ‘ওয়া আলাইকুম’ বলার নির্দেশ
রিয়াদুস সালেহীন : ২/৮৭২
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ২/৮৭২
وَعَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمْ أهْلُ الكِتَابِ فَقُولُوا: وَعَلَيْكُمْ» متفقٌ عَلَيْهِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’কিতাবধারীরা (ইয়াহুদী-খ্রিষ্টানরা) যখন তোমাদেরকে সালাম দেয়, তখন তোমরা জবাবে বল, ’ওয়া আলাইকুম।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬২৫৮, ৬৯২৬, মুসলিম ২১৬৩, তিরমিযী ৩৩০১, আবূ দাউদ ৫২০৭, ইবনু মাজাহ ৩৬৯৭, আহমাদ ১১৫৩৭,১১৭০৫,১১৭৩১,১২০১৯, ১২৫৮, ১২৫৮৩, ১২৬৭৪, ১৩৩৪৫
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ২/৮৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কিতাবধারীরা অর্থাৎ ইয়াহুদী-খ্রিষ্টানরা যখন তোমাদের সালাম দেয়, তখন তোমরা জবাবে বলো, ‘ওয়া আলাইকুম’। এই হাদিসের মূল শিক্ষা খুব স্পষ্ট। এখানে সালামের জবাবের নির্দিষ্ট বাক্য বলা হয়েছে। মুসলিমদের উচিত, এমন অবস্থায় হাদিসে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই জবাব দেওয়া। ‘ওয়া আলাইকুম’ অর্থ হলো, তোমাদের উপরও। হাদিসে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই, তাই আমাদেরও বাড়তি কথা বানানো ঠিক নয়। এটি ইসলামী আদবের একটি অংশ, যেখানে জবাব দেওয়া হয়, কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা বজায় রাখা হয়। সালামের জবাবেও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আহলে কিতাব সালাম দিলে ‘ওয়া আলাইকুম’ বলা হবে।
- সালামের জবাবেও নবীজির শেখানো ভাষা অনুসরণ করা উচিত।
- ধর্মীয় অভিবাদনে সীমা ও আদব বজায় রাখা দরকার।
