৬/১৩৮. অধ্যায়ঃ

অমুসলিমকে আগে সালাম দেওয়া হারাম এবং তাদের সালামের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি। কোন সভায় যদি মুসলিম-অমুসলিম সমবেত থাকে, তাহলে তাদের (মুসলিমদের)কে সালাম দেওয়া মুস্তাহাব

আহলে কিতাবকে আগে সালাম নয়: সালামের সীমা ও পথের আচরণ

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৮৭১

وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: « لاَ تَبْدَأُوا اليَهُودَ وَلاَ النَّصَارَى بالسَّلامِ، فَإِذَا لَقِيتُمْ أَحَدَهُمْ في طَرِيقٍ فَاضطَرُّوهُ إِلَى أَضْيَقِهِ». رواه مسلم

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’ইয়াহুদী-খ্রিষ্টানদেরকে প্রথমে সালাম দিয়ো না। যখন পথিমধ্যে তাদের কারো সাথে সাক্ষাৎ হবে, তখন তাকে পথের এক প্রান্ত দিয়ে যেতে বাধ্য করো।’’ (মুসলিম) [১]

মুসলিম ২১৬৭, তিরমিযী ২৭০০, আবূ দাউদ ১৪৯, আহমাদ ৭৫১৩,৭৫৬২,৮৩৫৬,৯৪৩৩,৯৬০৩,১০৪৪১৮

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৮৭১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের আগে সালাম দিও না। আর পথে তাদের কারও সঙ্গে দেখা হলে তাকে পথের এক প্রান্ত দিয়ে যেতে বাধ্য করো। হাদিসের ভাষা সরাসরি, তাই ব্যাখ্যাতেও সতর্ক থাকা জরুরি। এখানে মূল আলোচনা মুসলিমদের সালামের বিশেষ পরিচয় ও নির্দিষ্ট আদব নিয়ে। সালাম মুসলিমদের পারস্পরিক দোয়া ও অভিবাদন। এই হাদিসে আহলে কিতাবের সঙ্গে সালাম শুরু করার ব্যাপারে আলাদা নির্দেশ এসেছে। তবে ব্যাখ্যার সময় হাদিসের সীমার বাইরে নতুন ঘটনা বা সাধারণ সামাজিক আচরণের বাড়তি বিধান বানানো উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, সালামের আদব শরীয়তের নির্দেশ অনুযায়ী মানা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আহলে কিতাবকে আগে সালাম দেওয়ার বিষয়ে আলাদা নির্দেশ এসেছে।
  • সালামের আদব নিজের ইচ্ছামতো নয়; হাদিসের নির্দেশ অনুযায়ী।
  • হাদিসের ভাষা বুঝতে সীমা বজায় রাখা দরকার।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন