৫/১২৮. অধ্যায়ঃ
গুপ্তাঙ্গ খুলে যাওয়ার আশংকা না থাকলে একটি পায়ের উপর অন্য পা চাপিয়ে চিৎ হয়ে শোয়া বৈধ এবং দুই পা গুটিয়ে (বাবু হয়ে) বসা ও হাঁটু দু’টিকে বুকে লাগিয়ে কাপড় বা কোন কিছু দিয়ে পিঠের সাথে বেঁধে বসা বৈধ
মসজিদে চিৎ হয়ে শোয়া: নবীজির বসা-শোয়ার আদব
রিয়াদুস সালেহীন : ১/৮২৪
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৮২৪
عَن عَبدِ اللهِ بنِ زَيدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّه رَأَى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مُسْتَلْقِياً في الْمَسْجِدِ، وَاضِعاً إحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى . متفقٌ عَلَيْهِ
আব্দুল্লাহ ইবনে য়্যাযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে মসজিদে এমনভাবে চিৎ হয়ে শোয়া অবস্থায় প্রত্যক্ষ করেছেন যে, তিনি একটি পা অন্য পায়ের উপর চাপিয়ে রেখেছিলেন। (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৪৭৫, ৫৯৬৯, ৬২৮৭, মুসলিম ২১০০, তিরমিযী ২৭৬৫, নাসায়ী ৭২১, আবূ দাউদ ৪৮৬৬, আহমাদ ১৫৯৯৫, ১৬০০৯, মুওয়াত্তা মালিক ৪১৮, দারেমী ২৬৫৬
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৮২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একটি শোয়ার ভঙ্গির বর্ণনা এসেছে। আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রা.) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে মসজিদে চিৎ হয়ে শোয়া অবস্থায় দেখেছেন। তিনি একটি পা অন্য পায়ের উপর রেখেছিলেন। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, মসজিদে অবস্থান করার সময় শোয়ার কিছু বৈধ ভঙ্গিও আছে, তবে তা আদবের সঙ্গে হওয়া দরকার। এই হাদিসকে উপুড় হয়ে শোয়ার নিষেধের হাদিসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, সব শোয়া এক রকম নয়। একটি ভঙ্গি অপছন্দনীয় বলা হয়েছে, আর এখানে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি ভিন্ন ভঙ্গি বর্ণিত হয়েছে। তাই শোয়ার আদব বুঝতে হাদিসের ভাষা ঠিকভাবে দেখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর শোয়ার ভঙ্গিও সাহাবীরা লক্ষ্য করতেন।
- মসজিদে চিৎ হয়ে শোয়ার একটি বর্ণনা এই হাদিসে এসেছে।
- শোয়ার আদব বুঝতে ভঙ্গির পার্থক্য খেয়াল করা দরকার।
- সুন্নাহ দৈনন্দিন আচরণেও দিকনির্দেশনা দেয়।
