৫/১২৭. অধ্যায়ঃ

ঘুমানো, শোয়া, বসা, বৈঠক, সাথী এবং স্বপ্ন সংক্রান্ত আদব কায়দা - শয়নকালে যা বলতে হয়

মজলিসে যিকির ও শয্যায় যিকিরের গুরুত্ব

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৬/৮২৩

وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عَن رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ قَعَدَ مَقْعَدَاً لَمْ يَذْكُرِ الله تَعَالَى فِيهِ، كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللهِ تَعَالَى تِرَةٌ، وَمَنِ اضْطَجَعَ مَضجَعاً لاَ يَذْكُرُ اللهَ تَعَالَى فِيهِ، كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللهِ تِرَةٌ ». رواه أَبُو داود بإسنادٍ حسن

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি এমন মজলিসে বসে, যেখানে সে আল্লাহর যিকর করে না, (এর জন্য) আল্লাহর তরফ থেকে তার উপর পরিতাপ ও কমি আসবে। আর যে ব্যক্তি এমন জায়গায় শয়ন করে, যেখানে সে আল্লাহর যিকির করে না, (এর জন্য) আল্লাহর তরফ থেকে তার উপর পরিতাপ ও কমি আসবে।’’ (আবু দাঊদ, হাসান) [১]

আবূ দাউদ ৪৮৫৫, ৪৮৫৬,তি ৩৩৮০, আহমাদ ৯৩০০, ৯৪৭২, ৯৮৮৪, ৯৯০৭, ১০০৫০, ১০৪৪৪

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৬/৮২৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আল্লাহর যিকিরের গুরুত্ব খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন মজলিসে বসে যেখানে আল্লাহর যিকির করে না, তার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে পরিতাপ ও কমি আসবে। একইভাবে যে ব্যক্তি এমন জায়গায় শয়ন করে যেখানে আল্লাহর যিকির করে না, তার জন্যও একই সতর্কতা এসেছে। তাই মজলিসে যিকির এবং শোয়ার আগে যিকির—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে শিক্ষা হলো, কথাবার্তা, বসা, শোয়া—সব অবস্থায় অন্তত আল্লাহকে স্মরণ করা উচিত। হাদিসটি আমাদের অলসতা থেকে সরিয়ে আল্লাহর স্মরণে অভ্যস্ত হতে সাহায্য করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মজলিসে আল্লাহর যিকির না করা অনুতাপের কারণ হতে পারে।
  • শোয়ার জায়গাতেও আল্লাহর স্মরণ থাকা উচিত।
  • বসা ও শোয়ার মতো সাধারণ কাজেও যিকিরের শিক্ষা আছে।
  • মুমিনের সময় আল্লাহর স্মরণ থেকে খালি থাকা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন