৪/১২১. অধ্যায়ঃ

মধ্যম ধরনের পোশাক পরা উত্তম। অকারণে শরয়ী উদ্দেশ্য ব্যতিত অনুত্তম, যা উপহাস্য হতে পারে এমন পোষাক পরা যাবে না

আল্লাহর নেয়ামতের চিহ্ন: পোশাকে কৃতজ্ঞতা ও পরিমিতি

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৮০৭

عَن عَمرِو بنِ شُعَيبٍ، عَن أَبيهِ، عَن جَدِّهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إنَّ اللهَ يُحِبُّ أنْ يُرَى أثَرُ نِعْمَتِهِ عَلَى عَبْدِهِ ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

‘আমর ইবনে ‘শুআইব স্বীয় পিতা হতে বর্ণিতঃ

’আমর ইবনে ’শুআইব স্বীয় পিতা হতে, তিনি স্বীয় দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’নিশ্চয় আল্লাহ পছন্দ করেন যে, তাঁর বান্দার উপর তাঁর প্রদত্ত নেয়ামতের প্রভাব ও চিহ্ন দেখা যাক।’’ (তিরমিযী, হাসান) [১]

তিরমিযী ২৮১৯

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৮০৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে পোশাক ও নেয়ামতের বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আল্লাহ পছন্দ করেন যে, তাঁর বান্দার উপর তাঁর দেওয়া নেয়ামতের প্রভাব ও চিহ্ন দেখা যাক। অর্থাৎ আল্লাহ কাউকে সামর্থ্য দিলে সে পরিষ্কার, সুন্দর ও শোভনভাবে চলতে পারে। এটি অহংকার নয়, যদি উদ্দেশ্য হয় কৃতজ্ঞতা ও পরিমিত ব্যবহার। এই হাদিস ৮০৬ নম্বর হাদিসের সঙ্গে মিলিয়ে বুঝলে ভালো হয়—সেখানে বিনয়ের জন্য দামি পোশাক ছাড়ার কথা এসেছে, আর এখানে নেয়ামতের চিহ্ন প্রকাশের কথা। তাই ইসলাম পোশাকে অতিরিক্ত প্রদর্শন পছন্দ করে না, আবার অকারণে নিজেকে অবহেলিত দেখানোও উদ্দেশ্য নয়। মূল কথা হলো, আল্লাহর নেয়ামত ব্যবহার করতে হবে শালীনতা, কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের সঙ্গে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
  • পরিষ্কার ও সুন্দর পোশাক বৈধ হতে পারে, যদি অহংকার না থাকে।
  • পোশাকে ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • নেয়ামত ব্যবহার করা উচিত আল্লাহর স্মরণ ও বিনয়ের সঙ্গে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন