৩/১১৪. অধ্যায়ঃ

দাঁড়িয়ে পান করা

দাঁড়িয়ে পান করা বৈধ; কিন্তু বসে পান করা সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গ রীতি। এ মর্মে কাবশার পূর্বোক্ত হাদীসটি দ্রষ্টব্য।

যমযমের পানি দাঁড়িয়ে পান করার হাদিস

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৭৭১

وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: سَقَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مِنْ زَمْزَمَ، فَشَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ. متفق عَلَيْهِ

ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ’আমি নবী (ﷺ)কে যমযমের পানি পান করিয়েছি। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করেছেন।’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]

সহীহুল বুখারী ১৬৩৭, ৫৬১৭, মুসলিম ২০২৭, তিরমিযী ১৮৮২, নাসায়ী ২৯৬৪, ২৯৬৫, ইবনু মাজাহ ৩৪২২, আহমাদ ১৮৪১, ১৯০৬, ২১৮৪, ২২৪৪, ২৬০৩, ৩১৭৬, ৩৪৮৭, ৩৫১৭

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৭৭১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে যমযমের পানি পান করিয়েছেন এবং নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তা দাঁড়িয়ে পান করেছেন। এখানে বিষয়টি সরাসরি যমযমের পানি নিয়ে এসেছে। অন্য হাদিসে দাঁড়িয়ে পান করার নিষেধও এসেছে, তাই এই বর্ণনা থেকে বুঝতে হয় যে পান করার বিষয়ে কিছু অবস্থায় ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। কিন্তু এই নির্দিষ্ট হাদিসের মূল কথা হলো, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) যমযম দাঁড়িয়ে পান করেছেন। তাই যমযমের পানি দাঁড়িয়ে পান করার হাদিস খুঁজলে এটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। এতে বাড়তি দাবি না করে শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় এই কাজ নবীজি (صلى الله عليه وسلم) থেকে প্রমাণিত হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) যমযমের পানি দাঁড়িয়ে পান করেছেন।
  • এই হাদিসটি বিশেষভাবে যমযমের পানি সম্পর্কে এসেছে।
  • দাঁড়িয়ে পান বিষয়ে ভিন্ন বর্ণনা থাকলে নির্দিষ্ট হাদিসের সীমা মেনে বোঝা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন