১৮/৩৬৩. অধ্যায়ঃ
অমুসলিম দেশে বা অঞ্চলে কুরআন মাজীদ সঙ্গে নিয়ে সফর করা নিষেধ; যদি সেখানে তার অবমাননা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশংকা থাকে তাহলে
শত্রু দেশে কুরআন নিয়ে সফর নিষেধ: কুরআনের মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১৮০৩
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১৮০৩
عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ: نَهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُسَافَرَ بِالقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ العَدُوِّ . متفق عَلَيْهِ
ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শত্রুর দেশে কুরআন সঙ্গে নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন।’(বুখারী-মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ২৯৯০, মুসলিম ১৮৬৯, আবূ দাউদ ২৬১০, ইবনু মাজাহ ২৮৭৯, ২৮৮০, আহমাদ ৪৪৯৩, ৪৫১১, ৪৫৬২, ৫১৪৮, ৫২৭১, ৫৪৪২, ৬০৮৯, মুওয়াত্তা মালিক ৯৭৯
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১৮০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনে উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) শত্রুর দেশে কুরআন সঙ্গে নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো কুরআনের সম্মান ও নিরাপত্তা। এখানে সাধারণ সফরের কথা নয়; বরং এমন দেশে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে যেখানে শত্রুর হাতে কুরআনের অবমাননা বা ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে। তাই শত্রু দেশে কুরআন নিয়ে সফর নিষেধ হাদিস আমাদের শেখায়, আল্লাহর কিতাবের মর্যাদা রক্ষা করা মুসলিমের দায়িত্ব। কুরআন শুধু পড়ার বই নয়; এটি সম্মানিত ও সংরক্ষিত রাখার বিষয়। তাই পরিস্থিতি বুঝে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত, যাতে কুরআনের অসম্মান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের মর্যাদা রক্ষা করা মুসলিমের দায়িত্ব।
- ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে কুরআন বহনের বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিসটি শত্রু দেশে সফরের নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলেছে।
- ধর্মীয় জিনিসের সম্মান রক্ষায় পরিস্থিতি বিবেচনা জরুরি।
