১৮/৩২৭. অধ্যায়ঃ
অশ্লীল ও অসভ্য ভাষা প্রয়োগ করা নিষেধ
লজ্জা-শরমের সৌন্দর্য ও অশ্লীলতার ক্ষতি
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১৭৪৪
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১৭৪৪
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «مَا كَانَ الفُحْشُ فِي شَيْءٍ إِلاَّ شَانَهُ، وَمَا كَانَ الحَيَاءُ فِي شَيْءٍ إِلاَّ زَانَهُ» . رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’যে বস্তুর মধ্যে অশ্লীলতা থাকবে, তা তাকে দূষিত করে ফেলবে, আর যে জিনিসের মধ্যে লজ্জা-শরম থাকবে, তা তাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করে তুলবে।’’(তিরমিযী হাসান][১]
তিরমিযী ১৯৭৪, ইবনু মাজাহ ৪১৮৫
রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ২/১৭৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) অশ্লীলতা ও লজ্জা-শরমের প্রভাব খুব সহজ ভাষায় বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে বস্তুর মধ্যে অশ্লীলতা থাকে, তা তাকে দূষিত করে ফেলে। আর যে জিনিসের মধ্যে লজ্জা-শরম থাকে, তা তাকে সুন্দর করে তোলে। এখানে শিক্ষা হলো, ভাষা, আচরণ, পোশাক, মেলামেশা বা প্রকাশভঙ্গি—সব জায়গায় শালীনতা মানুষকে সুন্দর করে। অশ্লীলতা শুরুতে হাসি বা বিনোদন মনে হলেও তা চরিত্রকে মলিন করে। অন্যদিকে লজ্জা মানুষকে দুর্বল করে না; বরং তাকে সম্মানিত করে। তাই একজন মুমিনের জীবনে অশ্লীল কথা ও আচরণ কমিয়ে লজ্জা, ভদ্রতা ও সংযম বাড়ানো দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অশ্লীলতা কোনো কাজ বা কথাকে মলিন করে।
- লজ্জা-শরম মানুষের আচরণকে সুন্দর করে।
- শালীন ভাষা ও আচরণ মুমিনের গুণ।
- অশ্লীলতার বদলে ভদ্রতা বেছে নেওয়া উচিত।
