৯/২৩১. অধ্যায়ঃ

রোজাদারকে ইফতার করানোর ফযীলত এবং যে রোজাদারের নিকট কিছু ভক্ষণ করা হয় তার ফযীলত এবং যার নিকট ভক্ষণ করা হয় তার জন্য ভক্ষণকারীর দো‘আ.

রোজাদারকে ইফতার করানো: সমান নেকীর সুন্দর শিক্ষা

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১২৭৩

عَن زَيدِ بنِ خَالِدٍ الجُهَنِيِّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ فَطَّرَ صَائِماً، كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ، غَيْرَ أنَّهُ لاَ يُنْقَصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْءٌ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

যায়েদ ইবনে খালেদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে (রোজাদারের) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে রোজাদারের নেকীর কিছুই কমবে না।” (তিরমিযী হাসান সহীহ)[১]

তিরমিযী ৮০৭, ইবনু মাজাহ ১৪৪৬, আহমাদ ২১১৬৮, দারেমী ১৭০২

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১২৭৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমান নেকীর অধিকারী হবে, আর এতে রোজাদারের নেকীর কিছুই কমবে না। এটি রোজাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত সম্পর্কে খুব পরিচিত ও প্রেরণাদায়ক হাদিস। এখানে বড় শিক্ষা হলো, অন্যের ইবাদতে সাহায্য করাও নেকীর কারণ হতে পারে। তবে হাদিসে শুধু ইফতার করানোর কথা এসেছে; খাবারের পরিমাণ, ধরন বা আয়োজনের বিস্তারিত এখানে নেই। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করাই ভালো। যারা রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব, ইফতার করানোর হাদিস, বা রমযানে ইফতার করানোর ফজিলত খোঁজ করেন, তারা এই হাদিস থেকে সরাসরি উত্তর পান।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রোজাদারকে ইফতার করানো নেকীর কারণ।
  • ইফতার করালে রোজাদারের নেকী কমে যায় না।
  • অন্যের ইবাদতে সহযোগিতা করা ভালো আমল।
  • ইফতার করানোর ফজিলত হাদিসে সরাসরি এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন