৯/২৩০. অধ্যায়ঃ
প্রত্যেক মাসে তিনটি করে রোযা রাখা মুস্তাহাব, প্রতি মাসে শুক্ল পক্ষের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা পালন করা উত্তম।। অন্য মতে ১২,১৩, ও ১৪ তারিখে। প্রথমোক্ত মতটিই প্রসিদ্ধ ও বিশুদ্ধ।
প্রতি মাসে তিন রোজা: সারা বছরের রোজার মতো ফজিলত
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১২৬৮
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১২৬৮
وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ عَمْرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ الله عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «صَوْمُ ثَلاَثَةِ أيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صَوْمُ الدَّهْرِ كُلِّهِ». متفقٌ عَلَيْهِ
‘আব্দুল্লাহ ইবনে আম্র ইবনে আ'স (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে রোযা রাখা, সারা বছর ধরে রোযা রাখার সমান।”(বুখারী, মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ১১৫৯, ১৯৭৫
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রতি মাসে তিনটি করে রোজা রাখা সারা বছর ধরে রোজা রাখার সমান। এটি মাসিক নফল রোজার ফজিলত বোঝার জন্য খুব সহজ ও শক্তিশালী হাদিস। এখানে দিন নির্দিষ্ট করা হয়নি; শুধু প্রতি মাসে তিন রোজার কথা বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে মূল শিক্ষা হলো, অল্প কিন্তু নিয়মিত নফল রোজা অনেক বড় ফজিলতের কারণ হতে পারে। যারা মাসে তিন রোজার ফজিলত, সারা বছর রোজার সওয়াব, বা প্রতি মাসে তিনদিন রোজা রাখার হাদিস খোঁজ করেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যেই রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতি মাসে তিন রোজার বিশেষ ফজিলত আছে।
- নিয়মিত নফল রোজা বড় সওয়াবের কারণ হতে পারে।
- হাদিসে মাসের তিন রোজার গুরুত্ব সরাসরি বলা হয়েছে।
- কম আমলও ধারাবাহিক হলে মূল্যবান হতে পারে।
